ঢাকা, শনিবার 16 October 2021, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী
Online Edition

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ঢাকার

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, যৌথভাবে কোভিট-১৯ টিকা উৎপাদনে চীনের কোম্পানি সিনোফার্মের সঙ্গে চুক্তি হবে।

মন্ত্রী বলেন, চীন যৌথভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক চীন দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সেটি আছে। এ ক্ষেত্রে দেরি করা ঠিক হবে না। কারণ সই করার পরও মাস দুয়েক লাগবে উৎপাদনে যেতে। তাই যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এটি শেষ করা উচিত। তিনি আরও বলেন, সিনোফার্মের ৭০ লাখ টিকা এসেছে। আরও আসবে।

এদিকে সোমবার বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টিমবন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারকে ৫৯ কোটি ডলার অনুদান দিয়ে সাহায্য করছে, যাতে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যায়।

টিমবন বলেন, প্রস্তাবিত রিফিউজি পলিসি রিভিউ ফ্রেমওয়ার্কের লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী শরণার্থী আশ্রয়দাতা দেশগুলোর প্রতি বিশ্বব্যাংকের সহায়তার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা, যাতে পরিস্থিতি ভালোভাবে পরিচালনার জন্য প্রাসঙ্গিক নীতি ও প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা যায়।

বিশ্বব্যাংকের ওই পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক একটা রিপোর্ট তৈরি করেছে, এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, ১৬টি দেশের জন্য।

রিপোর্টে তারা যেসব দেশে শরণার্থী আছে, সেসব দেশে তাদের সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে রেহিঙ্গারা শরণার্থী নয়। এ কারণে এ প্রস্তাব পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ