বুধবার ২০ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

খুলনাঞ্চলের পাঁচটি পাটকল লিজ নিতে আবেদন ॥ ৩ টিতে আগ্রহী নেই

খুলনা অফিস : খুলনাঞ্চলের পাঁচটিসহ সরকারি ১৪টি পাটকল লিজ নিতে ৫১টি আবেদন জমা পড়েছে। বাংলাদেশ জুটমিলস কর্পোরেশনের (বিএজএমসি) হাতে থাকা মোট ২২টি পাটকলের মধ্যে সরকার লিজ দিতে চেয়েছিল ১৭টি, কিন্তু বাকি খুলনার তিনটির জন্য কোন আবেদনপত্রই জমা পড়েনি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের মধ্যেই পাটকলগুলো যোগ্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হবে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের ওপর ভিত্তি করে পাটকল শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত রেখে সরকারি পাটকলগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তারা। ১৭টি পাটকল লিজ দেওয়ার জন্য আগ্রহীদের কাছ থেকে ২৭ এপ্রিল আন্তর্জাতিক দরখাস্ত আহ্বান করে বিজেএমসি। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ১৭ জুন পর্যন্ত ১৪টি জুটমিলের জন্য ৫১টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। আপাতত এই ১৪টি পাটকল লিজ দেওয়ার পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। যে ১৪টি পাটকলের জন্য লিজ আবেদন জমা পড়েছে সেগুলো হচ্ছে- নরসিংদীর বাংলাদেশ জুট মিলস, চট্টগ্রামের কেএফডি, যশোরের কার্পেটিং জুট মিলস, নরসিংদীর ইউএমসি জুট মিলস, যশোর জুট ইন্ডাষ্ট্রিজ, রাজশাহী জুট মিলস, খুলনার ইস্টার্ণ জুট মিলস, সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস, খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলস, চট্টগ্রামের গুল আহমদ জুট মিলস, চট্টগ্রামের হাফিজ জুট মিলস, চট্টগ্রামের এম এম জুট মিলস, খুলনার দৌলতপুর জুট মিলস এবং চট্টগ্রামের আর আর জুট মিলস।
যে তিনটি পাটকল লিজ নিতে কোনও আবেদনপত্র জমা পড়েনি তার সবগুলো খুলনার। মিলগুলো হচ্ছে- প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস, খালিশপুর জুট মিলস ও স্টার জুট মিলস। আর যে ৫টি পাটকল সরকার শুরু থেকেই নিজেদের হাতে রাখতে চেয়েছে সেগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রামের বাগদাদ-ঢাকা-কার্পেট ফ্যাক্টরি, ডেমরার করিম জুট মিলস, ডেমরার লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস, খুলনার আলীম জুট মিলস ও চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ