ঢাকা, সোমবার 27 September 2021, ১২ আশ্বিন ১৪২৮, ১৯ সফর ১৪৪৩ হিজরী
Online Edition

রাজশাহী মেডিকেলে ২০ আইসিইউ বেডে ৭০ আবেদন

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ বেড রয়েছে  ২০টি।বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সবকটিতে রোগী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ, বাকিদের উপসর্গ রয়েছে।অপেক্ষায় রয়েছে আরও ৭০ রোগী। 

আর গোটা রাজশাহী বিভাগে মোট আইসিইউ বেড রয়েছে মাত্র ৪৬টি। 

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান,  আইসিইউ বেড পেতে তখন আরও ৭০ জন রোগী অপেক্ষায় ছিলেন।

“আইসিইউতে থাকা রোগীদের কারও একটু উন্নতি হলেই তাকে বের করে সাধারণ ওয়ার্ডে দেওয়া হচ্ছে। আবার কেউ মারা গেলে বেড খালি হচ্ছে। তারপর ক্রমিক অনুযায়ী ফোন করে আইসিইউতে রোগী ডাকা হচ্ছে।”

প্রতিদিন ৭ থেকে ১০ জন পর্যন্ত রোগীকে আইসিইউতে নেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, “সেই হিসেবে ক্রমিকের ৭০ নম্বর রোগীকে আইসিইউ পেতে অপেক্ষা করতে হবে এক সপ্তাহের বেশি।”

এ হাসপাতালে প্রথমে ১০টি কোভিড ‘ডেডিকেটেড’ আইসিইউ বেড ছিল। তা যথেষ্ট না হওয়াও বাড়াতে বাড়াতে ২০টি বেড করা হয়েছে।

রাজশাহী ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর এবং চুয়াডাঙ্গার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন বিভাগের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে। কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত মাস থেকেই রোগীর ভিড় বেড়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল ছাড়া এ বিভাগের মধ্যে বগুড়ার মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে আটটি, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আটটি, বগুড়া টিএমএসএসে দশটি মিলিয়ে মোট ৪৬টি আইসিইউ শয্যা রয়েছে।

রংপুর বিভাগের আট জেলার মধ্যে আইসিইউ বেড আছে ২৫টি। এর মধ্যে রংপুরের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০টি ও দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে ১৫টি।

সরকারি হিসাব বলছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ওই ২৫টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে চারটি খালি ছিল। তবে স্থানীয় চিকিৎসকেরা বলছেন, কোথাও কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই। অনেক রোগীর স্বজনেরা বেডের জন্য অপেক্ষা করছেন। একটা বেড পেতে চলছে নানা স্তর থেকে তদবির।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক জাকিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এখন পর্যন্ত কোভিড রোগীদের যে চাপ আছে. তাতে সাধারণ বিছানার সংকট নেই। আরও যদি চাপ বেড়ে যায়, তবে বিছানা বা ইউনিট বাড়ানো হবে, সেই প্রস্তুতি চলছে। অক্সিজেনেরও কোনো সংকট এখন পর্যন্ত বোধ হচ্ছে না।”

সূত্র: বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ