রবিবার ২০ জুন ২০২১
Online Edition

হেফাজত নেতা আজিজুল-জালাল জুবায়ের আবারও রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার: সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় হেফাজতে ইসলামের সদ্যবিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন ও ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদকে আবারও বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর মধ্যে আজিজুল হক ইসলামাবাদীর দুই মামলায় সাত দিন, জালাল উদ্দিনের এক মামলায় তিন দিন এবং জুবায়ের আহমেদের দুই মামলায় ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এদিন তাদের তিনজনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় বায়তুল মোকাররমে চলতি বছরের মার্চ মাসে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের তিনজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বায়তুল মোকারমে চলতি বছরের মার্চ মাসে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানায় করা আরেক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে ২০১৩ সালের হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় মতিঝিল থানার করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মাওলানা জুবায়ের আহমদকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে ১১ এপ্রিল আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে, ১৭ এপ্রিল মাওলানা জালাল উদ্দিনকে এবং ১৬ এপ্রিল মাওলানা জুবায়ের আহমদকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারের পর তাদের বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
ডাকসুর আকতার আবারও রিমান্ডে: এদিকে শাহবাগ থানার বিস্ফোরক ও হত্যা চেষ্টা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সভাপতি আকতার হোসেনের আবারও দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরি শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গ্রেফতারের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। এদিন তার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।
এর আগে ১৭ এপ্রিল দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ১৪ এপ্রিল তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় আসামি ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ১৩ এপ্রিল রাতে শাহবাগ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ