রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১
Online Edition

জলবায়ু শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাইডেনের আমন্ত্রণ

গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরিকে John Kerry বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচাসহ কয়েকটি বই উপহার দেন -পিআইডি

স্টাফ রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরিকে গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের নয়াদিল্লী থেকে বিমানে করে ঢাকায় পৌঁছালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন এবং ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন প্যারিস চুক্তির আলোকে আবারও বিশ্বকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে রক্ষার প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দিতে চায় বলে জানিয়েছেন জন কেরি। ভবিষ্যতের সেই প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ, ভারতসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর অংশগ্রহণও আশা করছেন বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি। এদিকে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর ১০০ কোটি ডলার তহবিলে অর্থায়ন করার কথা উন্নত বিশ্বের। কিন্তু এ বিষয়ে অগ্রগতি খুবই কম। মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরিকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সংক্ষিপ্ত সফর শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি ঢাকা ছাড়েন। সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে জন কেরিকে বিদায় জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ঢাকা ছাড়ার আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন তিনি। এ সময় ক্লাইমেট লিডার্স সামিটে অংশ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন জন কেরি।
এদিকে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২২-২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেটে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। ওই সামিটে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই সফর শুরু করেছেন বলে জানান তিনি। এই সম্মেলনের পাশাপাশি নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ২৬তম সম্মেলন বা কপ২৬ নিয়ে আলোচনার জন্য সফর শুরু করেছেন বাইডেনের বিশেষ এই দূত। বাইডেনের আহ্বানে যখন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজন হচ্ছে, তখন জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ।
গতকাল শুক্রবার সংক্ষিপ্ত সময়ের ঢাকা সফরকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জন কেরি সব জায়গায় সফল হয়েছেন। আমি আশা করি, প্রতি বছর ১০০ কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহের কাজটি তিনি করতে পারবেন। মোমেন বলেন, এই অর্থের ৫০ শতাংশ অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন) এবং ৫০ শতাংশ প্রশমন (মিটিগেশন)-এর জন্য ব্যয় করতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, ভালনারেবল ফোরাম প্রেসিডেন্সির বিশেষ দূত আবুল কালাম আজদসহ অন্যান্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেন কেরি ও মোমেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডাকা জলবায়ু বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন বিষয়ে আলোচনার জন্য গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঢাকায় আসেন জন কেরি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্লাইমেট সামিটে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বৈশ্বয়িক উষ্ণতা কমানোর কৌশলগুলো প্রয়োগের বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ কী কী উদ্যোগ নিচ্ছে সেগুলো তাকে জানানো হয়েছে। তিনি জন কেরিকে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ সর্ম্পকে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা, ১৪ হাজার ঝূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন, জলবায়ুর জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা, মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্লান, প্লানেটারি ইমার্জেন্সি রেজুলেশন, সুন্দরবন সুরক্ষা পদক্ষেপসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে কেরি সাংবাদিক সম্মেলনের শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অনুরোধে আমি এখানে এসেছি । কারণ যুক্তরাষ্ট্র আবার প্যারিস এগ্রিমেন্টের বাস্তবায়নের নেতৃত্বে ফিরে এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, আমাদের নাগরিক এবং দেশগুলোকে সুরক্ষার জন্য এসব প্রচেষ্টা। জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা কোনো একক দেশ সমাধান করতে পারবে না। সঙ্কট যে আছে এ নিয়ে কোনো দেশের কোনো সন্দেহ নেই।
১ এপ্রিল থেকে শুরু সফরে ইতোমধ্যে আবুধাবি ও নয়াদিল্লীতে গিয়েছেন তিনি। শেষ গন্তব্য ঢাকা সফর শেষে শুক্রবারই দেশের পথ ধরার কথা তার। এসব কারণে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বড় অর্থনীতির দেশ ও অংশীদারদের নিয়ে সামিট আহ্বান করেছেন। আলোচনার মাধ্যমে যাতে পরিস্থিতি মোকাবেলার রাস্তাগুলো তৈরি করা যায়, জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলার প্রযুক্তিগুলো সবার মাঝে পৌঁছে দেওয়া যায়।  বাংলাদেশ এই সামিটে অংশ নেবে জেনে আমি খুবই আনন্দিত। প্রযুক্তি, গবেষণা, উন্নয়ন, আর্থিক বিষয়গুলো আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার জন্য এই সম্মেলন খুবই কার্যকর হবে, বলেন কেরি।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের সময় যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ু ইস্যু থেকে পিছিয়ে পড়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বাইডেন বলেন, ভবিষ্যতে এই খাতে দুই ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। প্যারিস ছিল সূচনা। আমরা জানি আমাদের আরও সামনে যেতে হবে। আমি দুঃখিত যে আমাদের সাবেক প্রেসিডেন্ট এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেন জলবায়ু ইস্যুতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার বাংলাদেশ, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই সফরের কারণ হচ্ছে এসব দেশের জলবায়ু সঙ্কট মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ভবিষ্যতের ক্লিন এনার্জি গড়ে তুলতে তাদের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব রয়েছে। দূষণ মুক্ত বাতাস, রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাব কম হওয়া, ক্যান্সার নির্মূল করা, লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিওএনার্জির জন্য প্রযুক্তির সংযুক্তি-এসবের জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডের পরিকল্পনা হচ্ছে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের। এর মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে আমাদের বিদ্যুৎ খাত জিরো কার্বনে ফিরে আসবে, ৫ লাখ ইলেক্ট্রিক গাড়ির চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হবে। ফলে জনগণ ইলেক্ট্রিক কার কিনতে পারবে, সাচ্ছন্দে চার্জ দিতে এবং নিজের কর্মস্থলে যেতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু বিষয়ক নীতি সাফল্য পাবে আশা করে মোমেন বলেন, জন কেরির জীবনে অনেক সাফল্যের গল্প আছে। তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সাফল্য এসেছে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি হয়েছে তার দৃঢ়তার কারণে। ভিয়েতনাম যুদ্ধেও তার অনেক সাফল্য রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে পুনরায় সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টায়ও তিনি সফল হয়েছেন। এখন আমরা আশা করবো প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিশেষ দূত হিসাবে জন কেরি আগামী বছর থেকে ক্লাইমেট ফান্ডে ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্জন করতে পারবেন। এটা হবে তার আরেক সাফল্য। এই ফান্ডের ৫০ শতাংশ এডাপটেশন এবং ৫০ শতাংশ মিটিগেশনের কাজে ব্যয় করা হবে বলে আশা রাখি। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের বন ও পাহাড় ধ্বংস করছে উল্লেখ করে মোমেন বলেন, তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগে কেরি বা যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এ বিষয়ে আমরা কেরিকে জানিয়েছি। এছাড়া গ্লাসগোতে কপ-২৬-এ বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ের সাই ইভেন্ট করতে চায়। এজন্য আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছি। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের বনায়ন ধ্বংস করছে। তাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এর সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দরকার বলে কেরিকে জানিয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থ ও প্রযুক্তি প্রয়োজন এবং বাংলাদেশ আশা করে, যুক্তরাষ্ট্র সেটি জোগান দেবে বলে তিনি জানান।
যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে জন কেরি বলেন, জো বাইডেনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আবারও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়ে ফেরত এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য সব দেশকে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ, এটি একক কোনও দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ মাসে শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করেছেন বলে তিনি জানান। কেরি বলেন, এই সম্মেলনে ধনী ও বড় দেশগুলোর পাশাপাশি ভঙ্গুর দেশগুলোরও সুযোগ থাকবে তাদের কথা বলার এবং আমরা তাদের কথা শুনবো। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হলে কারও কোনও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে না বরং উপকার হবে। অর্থনীতিতে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি বলেছেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য অনেক উদারতার পরিচয় দিয়েছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, আপনারা তাদের একটি দ্বীপ (ভাসানচর) দিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা হয়েছে এবং এখন মিয়ানমারের জনগণের সঙ্গে যা হচ্ছে, সেটি বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কেরি বলেন, ‘আপনারা তাদের একটি দ্বীপ (ভাসানচর) দিয়েছেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ কাজ করছে। কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নয়। এটি তাদের সমস্যা সমাধান করবে না। জন কেরি আরও বলেন, নতুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন এ বিষয়ে নজর রাখছেন। তিনি এবং মার্কিন প্রশাসন মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য সবকিছু করবেন। এর ফলে রোহিঙ্গাদের ওপর যে চাপ ও চ্যালেঞ্জ আছে, সেটি কিছুটা কমবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসা উচিত। কারণ, এটি বাংলাদেশের একার বোঝা নয়। যুক্তরাষ্ট্র অনেক চেষ্টা করেছে যাতে করে মিয়ানমার সঠিক পথে অগ্রসর হয়। আমাদের আশা অনেক বেশি ছিল বলেও তিনি জানান। জন কেরি বলেন, আমি অং সান সুচির সঙ্গে নিজে দেখা করেছি, যাতে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া যায়। আমি মিয়ানমারে গিয়েছি এবং সেখানকার জেনারেলদের সঙ্গে দেখা করেছি। দায়বদ্ধতার বিষয়ে বলেছি। কিন্তু তারা এটিকে সম্মান দেয়নি। উল্লেখ্য যে, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বাইডেন ঘোষণা দেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রধান প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোকে উদ্বুদ্ধ করতে লিডারস সামিট আয়োজন করবেন তিনি। এরপর মার্চের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ বিশ্ব নেতাকে আমন্ত্রণ জানান বাইডেন। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শুরু হবে দু’দিনের এই শীর্ষ সম্মেলন। সাধারণ মানুষের দেখার জন্য সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও থাকবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ