ঢাকা, শনিবার 17 April 2021, ৪ বৈশাখ ১৪২৮, ৪ রমযান ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ আর প্রাণহানিতে শেষ হলো চসিকে ভোটগ্রহণ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: গোলাগুলি-হত্যা-সংঘর্ষ-অবরোধ-সহিংসতা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ। আজ বুধবার সকাল ৮টায় একযোগে ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়; ভোটগ্রহণ চলে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। 

পরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোট গণনা শুরু হয়। গণনা শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।  ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আজ সকালে ভোটের শুরুটা হয়েছিল ভালই। কিন্তু সকাল ১০টার দিকে খুলশী ইউসেপ স্কুল কেন্দ্রে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে আলাউদ্দিন আলো (২৮) নামের একজন নিহত হন। পরে এ ব্যাপারে চমেক মেডিকেল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. জহির গণমাধ্যমকে জানান, নগরীর খুলশী আমবাগান এলাকার ইউসেপ স্কুল কেন্দ্র থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে আলাউদ্দিন আলোর মৃত্যু হয়।

এদিকে নগরীর ১২ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বার কোয়ার্টার এলাকায় আপন ভাইয়ের হাতে আরেক ভাই খুন হয়েছেন। 

এদিকে নির্বাচনে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে কয়েকটি কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিএনপির কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল বালীকে আটক করেছে পুলিশ। পাথরঘাটা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তা আহতের ঘটনায় তাঁকে আটক করা হয়েছে।

পাথরঘাটা ছাড়াও ১৪ নম্বর লালখান বাজার এলাকাতেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখানে প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন ১১টার দিকে নগরের চকবাজার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে (বিএড কলেজ) ভোট দেওয়ার পর অভিযোগ করেছেন, সব কেন্দ্র থেকে দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও এজেন্টদের মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন নির্যাতনে পরিণত হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ