সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

এমপিদের থোক বরাদ্দ অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে -টিআইবি

স্টাফ রিপোর্টার: নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি বছর ৫ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই বরাদ্দ স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতার চর্চা, নির্বাচনে ভোট নিশ্চিত করার চেষ্টা ও অনৈতিকভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া এ সংক্রান্ত প্রকল্পে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, জবাবদিহিতার অভাব, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার অকার্যকরতা, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সদিচ্ছার ঘাটতি, অন্যের লাইসেন্স ব্যবহার, ট্যাক্স ফাঁকি, আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রভাব, কার্যাদেশ বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অস্বচ্ছতা এবং বাস্তবায়িত প্রকল্পের নিম্নমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে ‘অনৈতিকভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের পথ হিসেবে সংসদীয় আসনভিত্তিক থোক বরাদ্দ: অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ২০১৯ সালের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গবেষণার তথ্য সংগ্রহ; ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ৫০টি নির্বাচনী এলাকায় এই গবেষণা চালানো হয়। এসময় থোক বরাদ্দে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নয় দফা সুপারিশ প্রস্তাব করে সংস্থাটি।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা- নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাহজাদা এম আকরাম। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আউটরিচ ও কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
গবেষণাপত্রে বিশেষজ্ঞদের মত নিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ইতিমধ্যে পল্লী এলাকার উন্নয়নের জন্য এ ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রতিবেদনও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এবং মাঠ পর্যায়ে দুইটি প্রকল্পের কিছু স্কিমের সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনে স্কিম বাস্তবায়নের কাজে চ্যালেঞ্জ ও অনিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। তবে আইএমইডি ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত কোনো প্রকল্পেরই পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করেনি।
এছাড়া প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, জবাবদিহিতার অভাব, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার অকার্যকরতা, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, মানসম্মত সামগ্রী ব্যবহার না করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সদিচ্ছার ঘাটতি, অন্যের লাইসেন্স ব্যবহার, ট্যাক্স ফাঁকি, আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রভাব, বাস্তবায়িত স্কিমের নিম্নমান এই প্রকল্পের সমস্যা বলে গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা অনুযায়ী, কোনো কোনো এলাকায় সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালীদের কাছে বছরে ২০-২৫% কাজ বিক্রি (অবৈধভাবে সাব-কন্ট্রাক্ট) হয় কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক নথিতে সাব-কন্ট্রাক্টের কোনো প্রমাণ রাখা হয় না। তদারকি প্রতিষ্ঠানও এই বিষয়টি সম্পর্কে জানেন। বাস্তবে তারা দরপত্রপ্রাপ্ত প্রকৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মাঠ পর্যায়ের যেকোনো পরামর্শ বা পর্যবেক্ষণ অবহিত করেন এবং তাদের নামে বিল দেওয়া হয়।
মাঠ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে ৭৭.৮ শতাংশ সম্পূর্ণ এবং ১৭.৮ শতাংশ স্কিমে আংশিক কাজ হলেও ৪.৪ শতাংশ স্কিমের কোনো কাজ হয়নি। কাজ হয়নি এমন স্কিমের মধ্যে রাস্তার স্কিম ১৮টি, ব্রিজ/কালভার্ট স্কিম ১টি এবং রাস্তা ও কালভার্ট/ড্রেন স্কিম ৭টি। যে সকল স্কিমের সম্পূর্ণ এবং আংশিক কাজ হয়েছে সেগুলোর মধ্যে ৩৩ শতাংশ স্কিমের কাজের মান ভালো ছিল না।
ঠিকাদাররা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা তার দলের কর্মী/ পরিচিত/ আত্মীয় হলে কাজ চলাকালীন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে তদারকির ঘাটতি দেখা যায়। ঠিকাদারের থেকে কমিশন/লভ্যাংশ প্রাপ্তি এবং দলীয় নেতা-কর্মী/আত্মীয়-পরিচিত যারা ঠিকাদার তাদের মাধ্যমে ভোটের সময় ও ক্ষমতাসীন থাকাকালীন এলাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ফলে সংসদ সদস্যের একাংশ কর্তৃক তদারকির ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ঠিকাদার অর্থের বিনিময়ে নিম্নমানের কাজ করে লাভবান হন এবং বাস্তবায়নকারী ও তদারকি কর্তৃপক্ষ নিয়ম-বহির্ভূত আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে কাজের অনুমোদন দেন এবং জনপ্রতিনিধি, দলীয় ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব ও আর্থিক লাভ বজায় রাখেন। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট হারে কমিশন বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের চাঁদাবাজি মূলত অংশীজনদের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধার সমঝোতা সম্পর্কের প্রতিফলন।
মাঠ পর্যায়ে দেখা যায়, স্কিম বাস্তবায়নকালীন কাজের মান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলেও ৭৭.৬ শতাংশ ক্ষেত্রে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। এর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অভিযোগ দিলে তার নিষ্পত্তি না হওয়া, প্রতিবাদ বা সরাসরি অভিযোগ করলে হুমকি ও হয়রানির সম্মুখীন হওয়া এবং ঠিকাদার সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের আত্মীয়/পরিচিত/দলীয় কর্মী হলে ভয়ে কোনো অভিযোগ করতে আগ্রহী না হওয়া।
নমুনায়িত ৫০টি নির্বাচনী আসনে সার্বিকভাবে ৩৪ শতাংশ স্কিমের ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে চাহিদা/মতামত নেয়া হয়েছে। এই ৫০টির মধ্যে ২৯টি নির্বাচনী আসনের মোট স্কিমের ২৮.৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য এলাকা পরিদর্শনের সময়ে সরাসরি এলাকাবাসীর চাহিদা/ মতামত নিয়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সমন্বয় কমিটিতে এলাকার সাধারণ জনগণের তুলনামূলক কম প্রতিনিধিত্ব এবং কমিটিতে রাজনৈতিক ক্ষমতা চর্চার কারণে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণসহ তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
স্কিমের দরপত্র পাওয়া থেকে পুরো কাজ শেষ করে চূড়ান্ত বিল ও জামানতের টাকা উত্তোলন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন অংশীজনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট হারে (কখনো কখনো এককালীন) নিয়ম-বহির্ভূত কমিশন বাণিজ্য বিদ্যমান। দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য ই-টেন্ডার পদ্ধতিতে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রবর্তন হলেও তদারকি প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদার, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অনিয়ম রয়েছে। আইনি প্রতিবন্ধকতা, মিথ্যা মামলার ভয় ও হয়রানির আশঙ্কায় অনিয়মের তথ্য প্রকাশের উদ্যোগ ও আগ্রহের ঘাটতিসহ প্রতিবাদ এবং অভিযোগ না করার প্রবণতাও দেখা যায়।
রাস্তা তৈরির সামগ্রী (ইট, রড, বালি, সিমেন্ট ইত্যাদি) ব্যবসার সাথে জড়িত স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের একাংশ থেকে নির্মাণ সামগ্রী ক্রয়ে ঠিকাদারদের বাধ্য করা হয় এবং ক্রয় না করলে কাজে বাধা প্রদানসহ ভয়ভীতি দেখানো হয়। ফলে ঠিকাদাররা নিম্নমানের ও পরিমাণে কম উপকরণ নিয়ে বাধ্য হয়ে সমঝোতা করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঠিকাদার পূর্ণাঙ্গ কাজ ও মানসম্মত কাজ না করে বিল উত্তোলনের জন্য রাজনৈতিক প্রভাবশালী, জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তদবির করে থাকে। এক্ষেত্রে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে কাজ সম্পন্ন হওয়ার অনুমোদনসহ বিলের অর্থ ছাড় করাতে বাধ্য করা হয়। এসব দূর করতে ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত সংসদীয় আসনে থোক বরাদ্দের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর পৃথকভাবে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করে এগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ করাসহ ৯ দফা সুপারিশ করেছে টিআইবি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সংসদ সদস্যগণের মূল দায়িত্ব হলো আইন প্রণয়ন করা, জনগণের হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা এবং সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যদি সংসদ সদস্যগণ সরকারি ক্রয় বিক্রয় ইত্যাদিসহ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হন তাহলে তাদের যে মূল দায়িত্ব- সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, তা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে, সরকারি তথা জনগণের অর্থে পরিচালিত ঠিকাদারি, ব্যবসা, সরবরাহ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সরাসরি যুক্ত হলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় এবং তার ফলে সরকারি  কাজ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হয়। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার সম্ভাবনা ব্যহত হয়। তিনি বলেন, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নের নামে উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে রাজনীতি একাকার করা হয়েছে; দুর্নীতির অবারিত বিকাশ হয়েছে।
ড. জামান বলেন, সংসদ সদস্যগণ যেহেতু এরপরও এটি তাদের এখতিয়ার হিসেবে নিয়ে নিয়েছেন, তাই তাদের একাংশ যেমন এই থোক বরাদ্দের প্রকল্পসমূহকে নিজেদের অধিকার মনে করেন, এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে নিজেদের প্রভাব বলয় বৃদ্ধি, স্থানীয় নেতাকর্মীদের যোগসাজশে দুর্নীতির সুরক্ষা এবং নিজেদের সম্পদ বিকাশের উপায় হিসেবে ব্যবহার করছেন; অন্যদিকে তেমনি এর ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়নে সাধারণ জনগণেরও তাদের এই ভূমিকা সম্পর্কে একধরণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এ ধরণের স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিরসনমূলক সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা এবং জনপ্রতিনিধিদের জন্য কঠোর শুদ্ধাচার ও নৈতিক আচরণ প্রণয়ন করতে হবে এবং কঠোরভাবে এর বাস্তবায়ন করতে হবে, তাহলেই এর থেকে পরিত্রাণ সম্ভব। এই গবেষণায় প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে টিআইবির পক্ষ থেকে ৯ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: পরবর্তী প্রকল্প পরিকল্পনায় ব্যবহারের লক্ষ্যে সংসদীয় আসনে থোক বরাদ্দে ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পৃথকভাবে, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করতে হবে এবং এগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করে কার্যকরতা বৃদ্ধির সুযোগসমূহের বিস্তারিত বিবরণ তৈরি করতে হবে; এ প্রকল্পের আইনি কাঠামো বা নীতিমালা সুনির্দিষ্ট করতে হবে; প্রকল্পের অধীনে স্কিম পরিকল্পনা ও তালিকাভুক্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট আসনের ভৌগোলিক অবস্থান এবং উপযোগিতা অনুযায়ী তার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সমন্বয় কমিটিতে স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধিসহ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস করতে হবে; স্কিম এলাকায় কাজ চলাকালীন সম্পূর্ণ প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণসহ তথ্যবোর্ড স্থাপন করতে হবে; এই প্রকল্পের সব ধরনের তথ্য একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে; কৃষি ও অকৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদানসহ বিপণন সুবিধা বৃদ্ধি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে এমন স্কিম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে; জনপ্রতিনিধিদের রাজনৈতিক শুদ্ধাচার চর্চার এবং দুর্নীতির প্রবণতা ও সুযোগ কমিয়ে আনতে কার্যকর জবাবদিহি ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ