ঢাকা, রোববার 20 September 2020, ৫ আশ্বিন ১৪২৭, ২ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

এবার করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ চট্টগ্রামে

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামে নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা ছাড়াই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ ‍উঠেছে নিউ শেভরন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা চৌমুহনী বাজারে আজিজ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় নিউ শেভরন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

মোজাম্মেল হক সারাবাংলাকে জানান, প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু নঈম। সেখানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের পরীক্ষা করা হচ্ছে জানতে পেরে অভিযান চালানো হয়।

‘অভিযানের সময় সেখানে কয়েকটি মেশিন পাওয়া গেলেও করোনা পরীক্ষার জন্য আনুষাঙ্গিক মেশিন পাওয়া যায়নি। তারা রোগীদের কাছ থেকে করোনা পরীক্ষার কথা বলে নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর সেই নমুনা পরীক্ষা না করেই পজিটিভ বা নিগেটিভ একটি রিপোর্ট দিয়ে দেয়। এজন্য আগে থেকেই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ডাক্তারের সই নিয়ে রাখা হয়। সই দেখে রোগী ধরে নেন, এই রিপোর্ট সঠিক,’— বলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম নগরীতে নিউ শেভরন নামে কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমোদন দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদফতর। অভিযানের সময় সেখানে ল্যাব টেকনিশিয়ান কাউকে পাওয়া যায়নি। কোনো চিকিৎসকও এ ধরনের কোনো রিপোর্টে সই করেননি।

ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করা হয়েছে এবং মালিককে ভোক্তা অধিকার আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক।

এর আগে, নমুনা সংগ্রহ করেও পরীক্ষা না করেই করোনা পজিটিভ বা নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় এসেছে জেকেজি হেলথকেয়ার ও রিজেন্ট হাসপাতাল। দুইটি প্রতিষ্ঠানকেই অবশ্য নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে জেকেজি’কে নির্দিষ্ট বুথে ও রিজেন্টকে কেবল হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সে অনুমতির অপব্যবহার করে তারা বাসায় গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করেছে। আর সরকারি ব্যবস্থাপনাতে তাদের নমুনা পরীক্ষার কথা থাকলেও তারা সবার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরে জানা যায়, তারা নমুনা পরীক্ষা না করিয়েই ভুয়া পজিটিভ বা নেগেটিভ রিপোর্ট দিত গ্রাহকদের।সারাবাংলা।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ