ঢাকা, বৃহস্পতিবার 01 October 2020, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭, ১৩ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

দেশের ৯৭ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে : নসরুল হামিদ

ফাইল ফটো

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশে এখন বিদ্যুৎ-সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী শতকরা ৯৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। তিনি বলেন,‘ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বর্তমানে ২৩ হাজার ৪৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জিত হওয়ার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। এছাড়া ৫৮ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে অফ-গ্রিড এলাকার মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বুধবার রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল রিসার্চ গ্রুপের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক লাইভ ওয়েবিনারে তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মত-বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, জমির প্রাপ্যতা, জ্বালানি পরিবহন সুবিধা এবং লোড-সেন্টার বিবেচনায় পায়রা, মহেশখালী ও মাতারবাড়ি এলাকাকে ‘পাওয়ার হাব’ হিসেবে চিহ্নিত করে মেগাপ্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘কয়লা-ভিত্তিক রামপাল ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল প্রজেক্ট’, ‘মাতারবাড়ি ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল প্রজেক্ট’ এবং ‘পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প’ স্থাপনের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে প্রায় ৬২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে এবং মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বেসরকারি পর্যায়ে বিল্ডিংয়ের ছাদে সৌর-বিদ্যুৎ উৎপাদনকে জনপ্রিয় করার জন্য ‘নেট মিটারিং গাইডলাইন’ প্রণীত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভারত থেকে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, নেপালের সাথে দ্বিপক্ষীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি একটি আইপিপি হতে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য নেগোসিয়েশন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছরে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিলো ১২ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। তখন দেশে বিদ্যুতের সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১ শতাংশ।

ডিএস/এএইচ

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ