ঢাকা, বৃহস্পতিবার 24 September 2020, ৯ আশ্বিন ১৪২৭, ৬ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

সোলাইমানির উপর ট্রাম্পের আক্রোসের আসল কারণ জানালেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী 

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক : সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার বৈরিতার অবসান চেয়েছিলেন সোলাইমানি।সে লক্ষ্যে ইরাকের মধ্যস্থতায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছিলেন তিনি, আর সে কারণেই তাকে হত্যা করে পেন্টাগন।গত রোববার এমন  চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আব্দুল মাহদি। তিনি বলেন, কাসেম সোলাইমানি বাগদাদের আমন্ত্রণে ইরাক সফরে এসেছিলেন এবং শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় আমার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই মার্কিন হামলায় তিনি নিহত হন।

তিনি আরও বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্দেশ্যে ইরাকের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের যে সংলাপ চলছিল সে সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছিলেন জেনারেল সোলাইমানি। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী রোববার দেশটির পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে একথা জানান। ওই অধিবেশনে ইরাক থেকে দখলদার মার্কিন সেনা বহিষ্কার করার বিল পাস হয়।

আদিল আব্দুল মাহদি বলেন, সৌদি আরব এর আগে ইরাকের মাধ্যমে ইরানকে যে বার্তা দিয়েছিল সে ব্যাপারে তেহরানের জবাব নিয়ে জেনারেল সোলাইমানি বাগদাদ সফরে গিয়েছিলেন।

ট্রাম্প দাবি করেছেন জেনারেল সোলাইমানি বড় ধরনের হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর এ চাঞ্চল্যকর তথ্য জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করার পেছনে আমেরিকার দাবি মিথ্যা প্রমাণ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন, জেনারেল সোলাইমানি একটি বড় ধরনের হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিলেন এবং তাকে হত্যা করার মাধ্যমে সে হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। অথচ বাগদাদ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের আলোচনায় বার্তা বিনিময়ের দূত হিসেবে কাজ করছিলেন জেনারেল সোলাইমানি।

এর আগে, গত শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বিমান হামলা চালিয়ে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন সেনারা। ওই হামলায় ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবি’র উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিস’সহ মোট ১০ জন নিহত হন। সূত্র: পার্সটুডে

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ