শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

মাদারীপুরের কালিকাপুর হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

মাদারীপুর সংবাদদাতা: প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা স্বত্বেও মাদারীপুরের কালিকাপুর হাইস্কুলের  সহকারী শিক্ষক মো: মতিউর রহমান বিধিবহির্ভুতভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং পরে প্রধান শিক্ষক হিসাবে পদোন্নতি নিয়ে সরকারী প্রায় ৫লাখ টাকা গ্রহণ  করাসহ ম্যানেজিং কমিটি গঠন,অর্থের বিনিময়ে মুর্খ ব্যক্তিদেরকে ৮ম শ্রেনী পাশের সনদপত্র প্রদান,নিজ আত্মীয়দেরকে স্কুলে নিয়োগদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্কুল ম্যানেজিং কমিটির  সাবেক সদস্য মো: ইসমাইল মৃধার পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ উল্লেখ করে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক, জেল্ াশিক্ষা অফিসার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে জানা যায়,মো: মতিউর রহমান ১৯৮১ সালে এসএসসি পাশ করে ১৯৮৫ সালের ২৫ এপ্রিল সহকারী শিক্ষক হিসাবে কালিকাপুর হাইস্কুলে যোগদান করে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে গোপনে বিধিবহির্ভুতভাবে ১৯৮৫ সালে এইচ এসসি ও ১৯৮৬ সালে বিএ পাশ করেন। অথচ ওই শিক্ষকের প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও শিক্ষায় বিএড না থাকায় বিধিবহির্ভুতভাবে ১৯৮৬ সালে ১লা মার্চ সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে পদোন্নতি গ্রহন করেন। এ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হলে ২০০৪সালে শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক মো: হাবিবুল্লাহ এবং অফিসার মো: আবদুর গফুর স্কুল পরিদর্শন করতে এসে উক্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পায় এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা কালে মো: মতিউর রহমান বিধিবহির্ভুতভাবে ৪লাখ ৯১ হাজার ১শত বাইশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা গ্রহন করায় তা ফেরত দানের জন্য স্মারক নং ডিআইএ /মাদারীপুর /১৮২৪-এস /ঢাকা-৯২৫৪ /৬  তারিখ ২৯-৬-২০০৪ মর্মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়। কিন্তু তাতে উক্ত শিক্ষকের কোন টিকি নাড়াতে পারেনি। মতিউর রহমান স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের আশির্বাদে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তা ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতিও পায়।এছাড়া স্কুলে বিভিন্ন পদে নিজস্ব আত্মীয়কে প্রয়োজনীয় ও অভিজ্ঞতা না থাকা স্বত্বেও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগপ্রদান করেন।শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তদন্তেও বিধিবহির্ভুতভাবে স্কুলে বিভিন্ন পদে নিযুক্ত কর্মচারীকে অধিক গ্রহনের ফলে তা ফেরত দানেরও সুপারিশ করা হয়। এ ব্যাপারে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে শিক্ষা অধিদপ্তরের বিধি এবং আইনানুগ ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।  এদিকে প্রধান শিক্ষক মো: মতিউর রহমান এসব  অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সে ষড়যন্ত্রের শিকার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ