শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

চলনবিলের সেই ভরা যৌবন আর নেই

তাড়াশ, রায়গঞ্জ, ভাঙ্গুড়া, বড়াইগ্রাম চাটমোহর, সিংড়া, সলঙা, উল্লাপাড়া, এ উপজেলার সৌন্দর্য বর্ধনকারী অথচ ভয়ঙ্কর চলনবিল এখন নি:স্ব প্রায়। এক সময় চলনবিল পানিতে ছিল ভরপুর। একটু বাতাস উঠলেই বিল ভয়ঙ্কর রূপে আবির্ভূত হতো। আর সেই ভয়ঙ্কর তুফানের কবলেপড়ে চলনবিলের মধ্যে অবস্থানরত জেলেদের নৌকা ডুবে শত শত মানুষের প্রাণহানী হতো। বিল অধ্যুষিত হাজার হাজার ঘরবাড়ি ঢেউয়ের কবলে ধ্বংস হয়ে যেত। চলনবিলে সর্বগ্রাসী ভাঙ্গনে শত শত মানুষের ভিটা মাটি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে গেছে। বর্তমানে চলনবিলে সেই রুদ্র ও ভয়ঙ্কর রূপ আর নেই। কারন এ বছর বিলে পানি নেই। ভরা বর্ষাতেই পানি নেই বললেই চলে। তবে আশ্বিন মাসে কিছুটা পানি আসলেও চলনবিলছিল নি:স্ব প্রায় ও শান্ত। বিল তার হারানো সেই ভয়ঙ্কর রূপ ফিরে পেয়ে স্বমূর্তিতে আবার আবির্ভূত হতে পারবে কিনা এ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এ বছর ভারতের আসাম রাজ্যের ঢলের পানিতে আকস্মিক বন্যায় অতীতের সেই পুরনো সেই ঢেউয়ের আভা দেখা দেখা গেছে। বিলে আর তেমন পানি না থাকায় হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ। বিলে পানি কম থাকায় জেলেরা বড় বেড় জাল ফেলে মা ছা ও পোনা মাছ সমুলে ধ্বংস করেদিচ্ছে। ফলে ক্রমেই দেশীয় মিঠাপানির সুস্বাদু মাছ বিলুপ্তির পথে। এক শ্রেণীর অসাধু জেলে সম্পাদয় সারা বছর কারেন্ট ও অবৈধ্য বাদাই জাল দিয়ে মৎস্য সম্পদ লন্ঠন করলেও দেখারকেউ নাই। চলনবিলের বুকচিরে বয়ে যাওয়া হাটিকুমরুল বনপাড়া মহাসড়কের পাশে প্রায় ১০/১২টি মাছের আড়ৎ গড়ে উঠেছে। তাড়াশ উপজেলার মান্নান নগর, মহিষলুটি, সলঙ্গা, হরিনচড়া, সিরাজঞ্জ রোড মাছের আড়ৎ থেকে সড়ক পথে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা মত মাছ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।ঐতিহাসিক চলনবিল পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জের মধ্যবর্তি ৯টি উপজেলার মধ্যে তাড়াশ, শাহজাদপুর চাটমোহর ভাঙ্গুড়া, বড়াইগ্রাম, সিংড়া, আত্রাই এলাকাই এখন কিছ পানি থাকে। চলনবিলকে ধনভান্ডারও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত বলা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ