শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

আশা ফেরানো সম্ভাবনায় বাংলাদেশের ফুটবল

অরণ্য আলভী তন্ময় : যারা এতদিন ফুটবল নিয়ে নিয়ে হতাশ হয়েছেন তাদের জন্য একপশলা বৃষ্টির মতো কয়েকটি সাফল্য নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। প্রথমটি বিশ্বকাপ প্রাক বাছাইপর্ব থেকে মূল বাছাইয়ে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। আর দ্বিতীয়টি প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে আবাহনী লিমিটেড। অনেক অপূর্ণতার পরও ভারতের মাটিতে দেশটির ক্লাব মিনার্ভা পাঞ্চাবকে ১-০ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। ভিসা জটিলতায় দলের সাথে যেতে পারেননি সেরা তারকা ও ষ্ট্রাইকার সানডে চিজোবা। তপু বর্মন ও আতিকুর রহমান ফাহাদ ছিলেন না ইনজুরির কারণে। এছাড়া খেলাটি ভারতের গৌহাটির ইন্দিরা গান্ধী ষ্টেডিয়ামে হওয়ায় স্বাগতিকরা এগিয়ে ছিল। সব হিসাবকে পায়ে মাড়িয়ে জয় দিয়েই ইতিহাসে নাম লেখায় পেশাদার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। মহামূল্যবান গোলটি করেন দলটির আফগান ডিন্ডোর মাসিহ সাইগানি। অথচ বসুন্ধরা কিংস মৌসুমের শুরুতে তাকে নিয়ে আসলেও ফেলে দিয়েছিল বাতিলের খাতায়। সেখান থেকে তাকে তুলে আনেন আবাহনীর কর্মকর্তারা। রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব থাকলেও এই এএফসি কাপেই সর্বোচ্চ তিন গোলের মালিক সাইগানি। বলা যায় তার হাত ধরে বাংলাদেশের ফুটবল পা রাখল নতুন এক দিগন্তে। ফুটবল যেন চেনা চেহারায় ফিরে আসছে। সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের ফুটবলের জৌলুসই ছিল আলাদা। বড় কোনো দল না হলেও সাউথ এশিয়ান জাতীয় বা ক্লাব পর্যায়ে লড়াইয়ে হেসেখেলে জিতত। সে সময় ভারত ছাড়া অন্য কোন দেশ বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতেই পারত না। যদিও বাংলাদেশের আগে নেপাল ও পাকিস্তানের সাফ গেমসে সোনা জয়ের রেকর্ড রয়েছে, তবু বাংলাদেশের ফুটবলের জনপ্রিয়তা সে সময় ছিল তুঙ্গে। ক্লাব টুর্নামেন্টে এমনও ঘটেছে যে, কম গোল দেওয়ার জন্য মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান বা ভুটানের দলগুলো অনুরোধ করত। মোহামেডান বা আবাহনীর গোল উৎসবটা ছিল অনেকটাই মামুলি বিষয়। আশির দশকে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বেশ কবার এশিয়ান ক্লাব ফুটবলে চূড়ান্ত পর্বে খেলেছে। ওই সময় মালদ্বীপের ক্লাবগুলোকে ৮ বা ৯ গোলে হারানোটা ছিল স্বাভাবিক। যা থেকে শিক্ষা নিয়ে সেই দেশগুলো এখন প্রতিনিয়ত বাংলাদেশকে টেক্কা দিয়ে যাচ্ছে। শুধু কি তাই, ইরান চ্যাম্পিয়ন পিরুজি, কাতার আল সাদ ও উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল ২৫কে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সেই জৌলুস ফুটবলে মরীচিকা ধরতে ধরতে শেষ হতে চলেছিল। জাতীয় দল বা ক্লাব টুর্নামেন্টে একই পরিণতি। ১৬ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের শিরোপা জেতার রেকর্ড নেই।
এখন তো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেমি খেলাটাই স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে শেষ চারবার বাংলাদেশ বিদায় নিয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। ফুটবলের এই করুণ অবস্থা পাল্টাতে শুরু করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। জাতীয় দল প্রাক বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। বছরজুড়েই ব্যস্ত থাকবেন ফুটবলাররা। সর্বশেষ চমক দেখাল ঢাকা আবাহনী। ঘরোয়া ফুটবলে তারা বার বার সাফল্যের পতাকা ওড়ালেও আন্তর্জাতিক আসরে ছিল বড্ড ম্লান। সেই আবাহনী কিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালে উঠেছে প্রথমবারের মতো। হারিয়েছে ভারতের দুই সেরা দল চেন্নাই এএফসি ও মিনার্ভা পাঞ্জাবকে। নেপাল চ্যাম্পিয়ন মানাং মাসিয়াংদিকে হারিয়েছে দুবার। ঢাকায় ব্যবধান ছিল ৫-০! যা অতীত ফুটবলের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে নাবীব নেওয়াজ জীবনের কর্নার থেকে বেলফোর্টের মাথা হয়ে মাসির সামনে এলে তিনি ভুল করেননি। দুর্দান্ত হেডে কাঁপিয়ে দেন ভারতীয় ক্লাবের জাল। ভারতীয় ক্লাবকে তাদের ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হারিয়ে দেশের প্রথম দল হিসেবে এএফসি কাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ লিগ চ্যাম্পিয়ন দলটি। এই ম্যাচটি নিয়ে বেশি ভাবনা না ভেবে আবাহনী তাদের নিজেদের সেরা খেলাটাই খেলার চেষ্টা করেছিল। সমীকরণটা অনেকটাই এমন ছিল, জিতলেই ইতিহাস, ড্র করলে অপেক্ষা, এমন অবস্থা নিয়ে মিনার্ভা পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল আকাশী-নীল জার্সিধারীরা। কিন্তু অপেক্ষায় থাকতে চাননি মারিও লোমেসের শিষ্যরা।
 দিনের অন্য ম্যাচে ভারতের আরেক দল চেন্নাইয়ান ৩-২ গোলে হারিয়েছে নেপালের মানাং মার্সিয়াংদিকে। এই জয়ও তাদেরকে পরের রাউন্ডের টিকিট দিতে পারেনি। ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে চেন্নাইয়ান। মিনার্ভার ৫ আর মার্সিয়াংদির ২ পয়েন্ট। ভিসা জটিলতায় ভারতে যেতে পারেননি নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবা। ইনজুরির কারণে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ওয়েলিংটন প্রিওরিও খেলতে পারেননি। তবে দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছাড়াই জয়ের উচ্ছ্বাস আবাহনীর। একই সময়ে দুটি ম্যাচ। কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেক্সে চেন্নাইন এফসি ও মানাং মার্শিয়াংদির ম্যাচের স্কোর প্রতিনিয়ত খবর নিতে থাকেন গৌহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে থাকা আবাহনী লিমিটেডের কর্মকর্তারা। মাঠে মিনার্ভা পাঞ্জাবের সঙ্গে কাধে কাধ রেখে লড়াই করছেন নবীব নেওয়াজ জীবন-রায়হান হাসান-জুয়েল রানারা। স্নায়ুর চাপ অনুভব করতে থাকেন আবাহনী সমর্থকরা। মানাং মার্শিয়াংদির বিপক্ষে চেন্নাইন এগিয়ে যাওয়ার পর চাপটা বেড়ে যায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নদের ওপর বেশি। যদিও আবাহনী-মিনার্ভা ম্যাচের স্কোর তখন গোলশূন্য ছিল। কিন্তু হারলেই যে স্বপ্নভঙ্গ। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে খেলা গড়ায় ইনজুরি টাইমে। তখনই পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসেন মাসিহ। আফগান ডিফেন্ডারের গোলেই স্বপ্নপূরণের আনন্দে মেতে ওঠে আবাহনী। এর আগে এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের তৃতীয় সারির টুর্নামেন্ট এএফসি প্রেসিডেন্টস কাপেও পাঁচবার গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল আবাহনী। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছিল তারা।
এরপর গত দুই বছর এএফসি কাপে খেললেও ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী ছিল তারা। দু’বারই বিদায় নিয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। সে কারণে এবার তেমন আশা দেখেননি দর্শক-সমর্থকরা। বিশেষ করে যখন পেশাদার লিগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে তখন একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভাল ফলের আশা কিভাবে করা যায়! তবে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এই আসরে খেলার সুযোগ পাওয়া আবাহনী শুরু থেকেই ইতিহাস পাল্টানোর চেষ্টায় মত্ত ছিলেন। দলের খেলোয়াড় সংগ্রহেরও এএফসি কাপের জন্য করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, এবার নতুন করে ইতিহাস রচনা করল আবাহনী। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গত ১৯ জুন নেপালের চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়াংদিকে ০-৫ গোলে বিধ্বস্ত করার পরই খুলে যায় আবাহনীর স্বপ্নের দরজা। ওই দিনই মিনার্ভার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দুইয়ে নেমে যায় চেন্নাই এফসি। পরের রাউন্ডে ওঠার জন্য আবাহনী ড্র করলেও চলত। সে ক্ষেত্রে চেন্নাইকে কমপক্ষে পাঁচ গোলের ব্যবধানে জিততে হতো।
কিন্তু ড্র নয়, জিতেই আবাহনী উঠে গেছে পরের রাউন্ডে। এএফসির নিয়মানুযায়ী সেন্ট্রাল এশিয়া (ডি-গ্রুপ), সাউথ এশিয়া (ই-গ্রুপ), ইস্ট এশিয়া (আই-গ্রুপ)-এ তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা খেলবে ইন্টার-জোনাল প্লে-অফ সেমিফাইনালে। আসিয়ান জোনের জোনাল ফাইনালে পেরিয়া আসা দলটিও খেলবে এই পর্বে। সেখান থেকে সেরা দুটি দল উঠে যাবে ইন্টার-জোনাল প্লে-অফ ফাইনালে। চ্যাম্পিয়ন দল চলে যাবে ইন্টার জোনাল ফাইনালে। এখন এএফসি কাপে আবাহনীর জন্য কি অপেক্ষা করছে সেটা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এশিয়ান ফুটবলের ক্লাবগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এএফসি কাপকে। মৌসুমের প্রথম আসর ফেডারেশন কাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় সুযোগ পায় আবাহনী। সেই সুযোগটা কখনোই কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশের পেশাদার ফুটবলের সবচেয়ে বেশি ৬ বার শিরোপা জেতা দলটি। আগে আরও দুইবার খেললেও গ্রুপপর্বের দরজাটা খুলতে পারেনি শহিদুল আলম সোহেলের দলটি। এবার কয়েক বছরের জমে থাকা হতাশাকে আশায় রুপান্তরিত করে নতুন ইতিহাস লিখলো আবাহনী। ভারতের মিনার্ভা পাঞ্জাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্ব। যদিও এই রাউন্ডটির নাম আসলে ইন্টার-জোন প্লে-অফ সেমিফাইনাল। এএফসি কাপের ‘ডি’, ‘ই’ ও ‘আই’ গ্রুপের তিন চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস (এএসসিএএন) জোনের ফাইনাল জয়ী নিয়ে মোট ৪ দল লড়বে এই রাউন্ডে। এখানে হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে খেলা। বাংলাদেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে ইন্টার-জোন প্লে-অফ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আবাহনী। ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আবাহনী নাম লিখিয়েছে এই রাউন্ডে। তাদের সঙ্গে ‘আই’ গ্রুপের সেরা হয়ে যোগ দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার ক্লাব এপ্রিল-২৫। আর বাকি দুই দল নিশ্চিত হয়নি এখনও। ড্রয়ের মাধ্যমে এই চার দল মুখোমুখি হবে ইন্টার-জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতির দুই লেগের জয়ী দুই দল খেলবে ইন্টার-জোন প্লে-অফ ফাইনাল। এই ম্যাচের জয়ী দল চলে যাবে এএফসি কাপের ফাইনালে। অর্থাৎ, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের টিকিট পেতে দুটো জয় চাই আবাহনীর। সেটি এখন একেবারে হাতের নাগালে বলা যায়। সাধারনত এএফসি কাপের লড়াইটা মূলত পাঁচটি জোনে ভাগ করা। ৩৬ দল ৯ গ্রুপে ভাগ হয়ে খেললেও জোন ভাগ করা থাকে। ‘এ’ থেকে ‘সি’ গ্রুপে খেলে ওয়েস্ট জোনের দলগুলো। ‘এফ’ থেকে ‘এইচ’ গ্রুপে খেলে এএসসিএএন-এর দলগুলো। ‘ডি’ গ্রুপে থাকে সেন্ট্রাল জোনের দলগুলো; ‘ই’ গ্রুপে সাউথ জোন, যেখানে সুযোগ পায় বাংলাদেশের ক্লাব। আর ‘আই’ গ্রুপে খেলে ইস্ট এশিয়া জোনের ক্লাবগুলো। সেখান থেকে কয়েখটি ক্লাব যোগ্যতা অর্জণ করে। এর মধ্যে১২ দল নিয়ে হয় এই জোনের গ্রুপ পর্ব।
এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ‘এ’ থেকে ‘সি’ গ্রুপে খেলে তারা। ওয়েস্ট জোনের তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে সেরা রানার্সআপ নিয়ে হয় তাদের সেমিফাইনাল। শেষ চারের বাধা পেরিয়ে নিজেদের মধ্যেই হয় ফাইনাল। সেখানে জয়ী দল নিশ্চিত করে এএফসি কাপের ফাইনাল। বলা যায় সমীকরণটা যে খুব সহজ সেটি বলা যাবেনা। এই জোনের দলগুলোকে দিয়ে হয় সবচেয়ে কঠিন পথ পাড়ি। ‘এফ’ থেকে ‘এইচ’ গ্রুপে থাকে তাদের ক্লাবগুলো। তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে সেরা রানার্সআপ নিয়ে নিজেদের মধ্যে খেলে সেমিফাইনাল। শেষ চারের বাধা পেরিয়ে নিজেদের মধ্যেই হয় ফাইনাল।
সেখানে জয়ী দল নাম লেখায় ইন্টার-জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালে। যেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় থাকে তিন সেমিফাইনালিস্ট এদিকে ওয়েস্ট জোনের ফাইনাল জয়ীর সঙ্গে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইন্টার-জোন প্লে-অফের ফাইনাল জয়ী। এক লেগের এই ফাইনাল জয়ীই এএফপি কাপের চ্যাম্পিয়ন। এভাবেই নির্ধারিত হয় এশিয়া সেরা ক্লাবের নাম। যেখানে সেরা ক্লাবের তকমা পাওয়াটা কঠিন থেকে কঠিন কাজগুলোর একটি হয়ে থাকে। এবার সেখানেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলবে আবাহনী। সাম্প্রতি সময়ে, বিশেষ করে জুন মাসে বাংলাদেশের ফুটবলে বড় কিছু যে অর্জিত হয়েছে সেটিতে এখন ধরে রেখে ভবিষ্যতের জন্য পথ চলতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ