মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

কবিতা

শ্রেষ্ঠ উৎসবের বারতা

মীম মিজান

 

একটি চাঁদ

আমার কাছে মনে হয়

শ্রেষ্ঠ সুখবরের বারতা

একটি মাস

যা হাজার মাসের থেকেও উত্তম

আমি সে মাসের আকাক্সক্ষী

একেকটি সন্ধেবেলা 

খুশির স্ফুরণ দেখি সবখানে

ভেসে যাই যেন সৌহার্দ্যরে বানে

নিজে না খায়ে অপরকে খাওয়াব

কী মধুমন্ত্র সবার হৃদে

বছরের পরিক্রমায়

এসেছে সেই চাঁদটি

এসেছে সেই মাসটি

পেয়েছি খুশির স্ফুরণ

পাব নিশ্চয় সেদিন

রাইয়ান তোরণ।

 

বাঁকা চাঁদের কবিতা

নোমান সাদিক

 

তাকে চেনো, সারাদিন এ অফিস সে অফিস ঘোরাঘুরি সিভি নিয়ে হাতে

লাল টাই, কালো সু’,প্যান্ট আর সাদা শার্ট, ভাত খেতে দ্যাখো ফুটপাতে

 

প্রশ্ন করো না তাকে সু জোড়া তার কি না, কোত্থেকে ধার করা টাই

একটাই শার্ট নাকি আসলে অনেকগুলো বটে, শুধু রঙ একটাই

 

সপ্তাহে একদিন সেলুনে খরচ আর পারফ্যুম কত দিয়ে কেনা

কতটুকু বাসে আর পায়ে হেঁটে কতদূর, মোড়ের দোকানে কত দেনা?

 

মেসে কি বকেয়া পড়ে? কিভাবে জোগাড় হয় রুমমেট মুখ বাঁকা করে?

নিজের টাকায় করা বাজারে ব্যাগ ভরে ফিরেছে কখনো বাড়ি-ঘরে?

 

ভুলেও করো না তাকে এসব প্রশ্ন, যদি জানা থাকে সন্ধান দিও

কোথায় লাগে না ঘুষ, এক্সপেরিয়েন্স আর না হলেও চলে আত্মীয়

 

তখন দেখবে তার মুখ যেন বাঁকা চাঁদ, এতটুকু খুশির খবরে

দালানের এ শহরে আকাশ দেখো না নাকি, সেই চাঁদ দেখো ভালো করে

 

ওটুকু না পারো, তার কাঁধে হাত রেখে বোলো- ‘তবু বিশ^াস হারিয়ো না’

তাতেও ইতস্তত হও যদি থাক তবে, তুমি আর সেদিকে যেও না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ