শুক্রবার ২০ মে ২০২২
Online Edition

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাত চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ সংবাদাদাতা, ২৮ জানুয়ারি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতা থেকে র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতি ও ছিনতাইকারি সংঘবদ্ধ চক্রের চার  সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার ভোরে  রূপগঞ্জ ইসলামবাগ (পশ্চিমকালী) মেহগনি বাগান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল , দুটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ডগুলি, ৪ টি মোবাইল ফোন, দুটি মোটর সাইকেল, একটি  পাসপোর্ট ও নগদ ১১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে রুপগঞ্জের মর্তোজাবাদ এলাকার মাসুদ মিয়ার ছেলে  মোঃ আতিকুর রহমান @ সোহেল (২৫), শিংলাবো এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে  মোঃ সোহান ভূঁইয়া @ রাফি (২৩) মুর্তোজাবাদ এলাকার মোঃ আবু মিয়ার ছেলে মোঃ নাজমুল হোসেন (২৪), একই এলাকার  মোজ্জাম্মেল হকের ছেলে  মোঃ রাব্বি হাসান (২৩) । 
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন টিম র‌্যাব ১ এর অধিনায়ক লে, কর্ণেল মোঃ সারওয়ার-বিন-কাশেম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানা।  বিজ্ঞিপ্তিতে বলা হয়,  র‌্যাবের গোয়েন্দা টিম নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে সংঘবদ্ধ  ডাকাত ও ছিনতাইকারি দলের সন্ধান পায়। তারা র‌্যাব পরিচয় দিয়ে মানুষকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে শাররিক নির্যাতন করে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপন আদায় করে আসছিলো।  এই চক্রটি সর্বশেষ চলতি বছরে ১৪ জানুয়ারী মাদারীপুরের জনৈক্য সোহেল রানা দুপুরে দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থেকে  সিএনজি যোগে  বন্ধুর বাসায় যাওয়ার পথে ৪-৫ জন ব্যাক্তি নিজেদের র‌্যাব পরিচয় দিয়ে সিএনজি গতিরোধ করে।  তাকে (সোহেল রানা) একটি  মোটরসাইকেলে তুলে ভুলতা গাউছিয়া সড়কের একটি নির্জনস্থানে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে তার কাছ থেকে  (সোহেল রানার) নগদ ১১ হাজার টাকা  ছিনিয়ে নেয়। সোহেলে রানার পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে আরো ৭০ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে সোহেল রানা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন, যার নম্বর-১৪২৪।  বিষযটি ২১ জানুয়ারী সোহেল রানা র‌্যাব-১ বরাবর লিখিত ভাবে জানান। র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এই চক্রটির সন্ধান পায়। র‌্যাব জানায়, এই চক্রের সসদ্য ৮ থেকে ১০ জন। তারা র্দীঘদিন যাবত র‌্যাবের পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। র‌্যাবের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আছে বলে তারা র‌্যাবের নাম ব্যবহার করে সহজে মানুষকে কব্জায় আনতে পারে। চক্রটি বিভিন্ন দর্শনীয় ও বিনোদন স্পটে গিয়ে মানুষকে অনুসরন করে । পরে সুযোগ বুঝে ভিকটিমকে নির্জনস্থানে তুলে এনে অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করে নগদ টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে যেতো।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ভাংচুরসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ