শুক্রবার ২০ মে ২০২২
Online Edition

ডাকসু নির্বাচনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০॥ আবাসিক হলেই ভোটকেন্দ্র

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও ভোটগ্রহণের বুথগুলো আবাসিক হলগুলোতে স্থাপন করা হবে। যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স সম্পন্ন করে মাস্টার্স বা এমফিল শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত আছেন তারাও নির্বাচনে অংশ নিতে এবং ভোট দিতে পারবেন।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত  দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের বরাত দিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিন্ডিকেটের এই সভা শুরু হয়ে রাত ৮টার দিকে শেষ হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
জানা যায়, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিল পর্যায়ে অধ্যায়নরত আছেন এবং যারা বিভিন্ন আবাসিক হলে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন এবং নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার তারিখে যাদের বয়স কোনোক্রমে ৩০ এর বেশি হবে না, শুধু তারা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার হতে পারবেন। সব ভোটারই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না যারা: যারা সান্ধ্যকালীন বিভিন্ন কোর্স, প্রোগ্রাম, প্রফেশনাল, এক্সিকিউটিভ, স্পেশাল মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, এমএ, বিবিএ, ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স, পিএইচডি সার্টিফিকেট কোর্স অথবা এই ধরনের অন্যান্য কোর্সে অধ্যয়নরত আছেন তারা ভোটার হতে পারবেন না। ৩০ বছরের ঊর্ধ্বের শিক্ষার্থীরা যে কোর্সেই অধ্যয়নরত থাকুন না কেনো, তারাও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অর্থাৎ তারা ভোটার ও প্রার্থী হতে পারবেন না।
আরও বলা হয়েছে, সরকারি অথবা দেশে বা বিদেশে যেকোনও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনও শিক্ষার্থী ভোটার বা প্রার্থী হতে পারবেন না এবং ভুক্ত কলেজের কোনও শিক্ষার্থীও ভোটার বা প্রার্থী হতে পারবেন না।
ডাকসুতে সংস্কার: আরও জানা গেছে, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসুর কয়েকটি সম্পাদক ও সদস্য পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়াও ভিসির ক্ষমতার ভারসাম্য আনার বিষয়টি সিন্ডিকেট বিবেচনায় নিচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ