শনিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

সখিপুরে দাখিল পরীক্ষার্থীকে ২০ দিন ধর্ষণের অভিযোগ ॥ আটক ২

সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের সখিপুরে এক দাখিল পরীক্ষার্থী(১৪) কে ছেলের বউ বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে মজিবর রহমান (৪২) নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতা উপজেলার কালিয়া আজগরিয়া আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা হতে এবারের দাখিল পরিক্ষার্থী  এবং উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ধলি উত্তরপাড়া গ্রামের  মোঃ আলিমউদ্দিন(৭০)এর মেয়ে। লম্পট মজিবর ঐ ছাত্রীর পাশের বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে থাকতো। সে ইতিপূর্বে দু’টি বিবাহ করেছে ও  তার দুই বউয়ের ২টি ছেলে সন্তান রয়েছে এবং বড় ছেলে প্রবাসে থাকে।স্থানীয় ও ঐ পরীক্ষার্থীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অভাবের তাড়নায় ৫ বছর পূর্বে ঐ ছাত্রীর বাবা আলিমউদ্দিন তার আদি বাড়ি কালিহাতি হতে চলে এসে ঐ গ্রামে আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তায় স্থানীয়ভাবে বসবাস শুরু করে। পরে তার ২ ছেলেকে স্থানীয় হাফেজিয়া ও ১ মেয়েকে স্থানীয় দাখিল মাদ্রাসায় ভর্তি করান। কিন্তু বছর তিনেক পরে বয়সের ভারে নুয়ে পরে ঐ ছাত্রীর বাবা।। ফলে তার উপার্জন স্বক্ষমতা হারিয়ে ফেললে তাদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে তার মা দিনমজুরের কাজ শুরু করলে সেই টাকায় চলে তাদের পড়াশোনা ও সংসারের খরচ। তাদের টানাপোড়েনের সংসারের এই অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে লম্পট মজিবর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ঐ ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। কিন্তু লম্পটের কু-প্রস্তাবে ঐ ছাত্রী কোনো সাড়া না দেয়ায় এক পর্যায়ে লম্পট মজিবর তার প্রবাসে থাকা ছেলের বউ বানানোর কথা বলে ঐ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ১ সপ্তাহ আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে ঐ ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রবিবার চারজনকে আসামি করে সখিপুর থানায় মামলা করেন। পরে সখিপুর থানা পুলিশ ধর্ষক মজিবর রহমান ও তার স্ত্রী আমেনা বেগম কে আটক করেন। এ বিষয়ে সখিপুর থানার অফিসার ইন চার্জ(ওসি)মো.আমির হোসেন বলেন, "আসামি দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ,ধর্ষকের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।"

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ