বুধবার ২০ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সম্পর্ক আরো বন্ধুত্বসুলভ হওয়া জরুরি

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশের সাথে বিশ্বব্যাংকের সম্পর্ক আরো বন্ধুত্বসুলভ হওয়া জরুরি। পদ্মাসেতু ইস্যুতে সৃষ্ট ভুল বুঝাবুঝির নিরসন করে সময়োপযোগী প্রকল্প গ্রহণ করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম তরান্বিত করতে হবে। চট্টগ্রামের খুলশীস্থ ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ‘বিশ্বব্যাংক ও সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট গোল (এসডিজি)’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

বিশ^ব্যাংকের ডেভলপমেন্ট ডাটা গ্রুপের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ উমর সিরাজুদ্দিন এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। মূলত সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট গোল কি, এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ^ব্যাংক কিভাবে কাজ করে এ নিয়েই কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো বিশ্বের দারিদ্রের হার ৩ শতাংশে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে মাথাপিছু ৯০ ডলার আয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই আমরা।

তিনি আরো বলেন, দারিদ্রের হার হ্রাসের দিক থেকে ১৯৯৬ হতে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে আফ্রিকার দেশগুলোতে হ্রাসের হার সবচেয়ে কম।

এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি বেশকিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বলে মন্তব্য করেন উমর সিরাজুদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দারিদ্রের হার ও শিশুমৃত্যুসহ অকাল মৃত্যুর হার কমেছে। ১৯৫৫ সাল হতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে ১৯৭০-১৯৭৫ সালে কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও অন্যান্য বছরগুলোতে শূন্য থেকে চার বছর বয়সী শিশুর মৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে কমেছে। একই সাথে সামগ্রিক মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কিন্তু পরিবেশ দূষণ, শিক্ষা হার, বিশুদ্ধ পানি ও খোলা স্থানে মলত্যাগের মত বিষয়ে আরো মনযোগ দিতে হবে বলেও জানান বিশ^ ব্যাংকের এ অর্থনীতিবিদ।

অর্থনীতির প্রভাষক তাসমিম চৌধুরী বহ্নি’র সঞ্চালনায় সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ইডিইউর ট্রেজারার অধ্যাপক সামস-উদ-দোহা, রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া, প্ল্যানিং এন্ড ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টার শাফায়েত কবির চৌধুরী, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ড. মো. নাজিম উদ্দিন, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির, প্রক্টর অনন্যা নন্দী প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ