রবিবার ১২ জুলাই ২০২০
Online Edition

মুন্সীগঞ্জে বিশেষ কার্ড প্রাপ্ত হয়ে মা ইলিশ ধরার হিড়িক

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জ জেলা এ বছর সবচেয়ে বেশী মা ইলিশ ধরায় ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে যেভাবে মা ইলিশ ধরা হচ্ছে এ ধরনের মা ইলিশ ধরা হয়নি কোন সময় কোন কালে। জেলেদের বিশেষ কার্ড প্রদান করে মাছ ধরার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ কার্ডধারীদের মধ্যে লৌহজং উপজেলায়ই রয়েছে ৬০জন জেলে। ৬০জন জেলের কাছ থেকে অগ্রিম দাবীকৃত টাকার পুরোটাই আদায় করে ইলিশ ধরার অনুমতি দেয়া হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম দেওয়ান এই ৬০জন জেলের বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সকল অভিযানকে ব্যর্থ করে দিয়ে মা ইলিশ নিধন চালিয়ে এক শ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে বিশেষ কার্ড প্রাপ্তীর জন্য সর্বমোট ৬০হাজার টাকা অগ্রিম পে করতে হয়েছে জেলেদের।
ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশ প্রজনন চলমান মৌসুমে জেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীতে দুই সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মা ইলিশ ধরার অপরাধে জেলে ও ক্রেতাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও সাজা দেয়াও হচ্ছে প্রতিদিন। একদিকে অভিযান চলছে অপরদিকে বিশেষ কার্ড দিয়ে মাছ ধরার অনুমতি। বিষয়টি এখন মুন্সীগঞ্জে টক অব টাউনে পরিণত হয়েছে।
বিশেষ কার্ডধারী ৬০জন জেলের মধ্যে ০৩ জনের নাম পাওয়া গেছে আল আমিন পিতা আব্দুল আলী দেওয়ান গ্রাম: খড়িয়া, কুমারভোগ। আবুল কালাম দেওয়ান পিতা বাবুর আলী দেওয়ান দক্ষিণ হলদিয়া গ্রাম। সোহরাব ফকির পিতা নয়ন ফকির দক্ষিণ হলদিয়া লৌহজং উপজেলা। এই তিন জনের মধ্যে আবুল কালাম দেওয়ান ভাই সেলিম দেওয়ান প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বমহল থেকে বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। ৬০জনের কাউকেই প্রশাসনের কোন টিম মাছ ধরতে বাঁধা দিবে না। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় মা ইলিশ ধরার প্রতিযোগিতা চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ