মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ঈদের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কমেনি শিমুলিয়ায় বাড়তি লঞ্চ ও বাস ভাড়ার নৌরাজ্য

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা : দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে নাব্যতা সংকট ও তিব্র স্রোতের কারনে এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হলেও কিছুটা সচল হয়েছে এ নৌ-রুটের ফেরি চলাচল।অপরদিকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কমেনি শিমুলিয়ায় লঞ্চ ও ঢাকা-মাওয়া সড়কের পরিবহনগুলোর বাড়তি ভাড়ার নৌরাজ্য ।আর এতে করে এ রুটে চলাচলরত যাত্রীরা সরকারের যাত্রীদের জন্য নেয়া প্রশাষনের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করলেও বাস মালিক ও লঞ্চ মালিকদের ঈদের অজুহাতে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ।সরেজমিনে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখাযায় এ রুটের প্রায় প্রতিটি লঞ্চেই ধারন ক্ষমতার চেয়ে তিন থেকে চারগুন যাত্রী নিয়ে প্রমত্রা পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে । লঞ্চ থেকে এসব যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে নেমেই বাসের জন্য লাইনে দাড়িয়ে রয়েছে এসময়ে কথা হয় ইলিশ পরিহনের লাইনে দাড়িয়ে থাকা যাত্রী আসমা বেগমের সাথে তিনি বলেন পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করতে বাড়ি গিয়েছিলাম তখন ঢাকা থেকে বাসে বেশি ভাড়া নিয়েছে লঞ্চেও নিয়েছে।এখন ঈদের পরে ১০ দিন পরে ঢাকায় ফিরার পথে লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে এসে এখন ইলিশ পরিহবনের নির্ধারিত ভাড়া ৭০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা জন প্রতি টিকিট কিনে লাইনে দাড়িয়ে আছি ,এ সময়ে তিনি বলেন পুলিশ দেখলাম কাউন্টারে সামনে গুরছে কিন্তু তাদের সামনেই অতিরিক্ত ভাড়া কাট হয় কেই কিছু বলেনা ।তাদের নাকি ঈদ এখনো শেষ হয়নি। এ সময়ে কয়েকজন যাত্রী সাংবাদিক পরিচয় জেনে এগিয়ে এসে বলেন আপনারা শুধু ছবিই উঠান এগুলো তো দেখেননা। এ সময়ে  আরেকজন বলেন এসব লেইখ্যা কোন লাভ নেই সবাই গাড়ি খালি আসে এ অজুহাতে বেশি ভাড়া নেয়। বাসমালিকদের সাথে প্রশাষনের যোগাযোগ আছে তারা বলেন যাত্রী পারাপারি বড় কথা এ সময়ে এটা দেখার সুযোগ নাই। এরকম ভাবে ঢাকা-মাওয়া সড়কের প্রতিটি কাউন্টার ভিত্বিক বাসে ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। আপরদিকে সুযোগবুজে ঢাকা-মাওয়া-বালিগাও রুটের গাংচিল পরিবহনের কিছু পরিবহন শিমুলিয়া ঘাটে এসে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে এ ছড়াও কিছু লোকাল পরিবহকে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে। এ ব্যাপারে লৌহজং থানার ওসি মো:লিয়াকত আলীকে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিব করেনি। পরে এ ব্যাপারে মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের টিআই মো:সিদ্দিকুর রহমানের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন গাড়িগুলো যেহেতু খালি আসে তাই ১০০ টাকা করে নেওয়ার ব্যাপারে মৌখিক অনুমতি আছে। ঈদের পরে অনেক দিন অতিবাহিত হয়েছে এখনো কেন আপনাদের অনুমতি থাকবে এ রকম প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এখনতো শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীর চাপ। তবে আমি ইলিশের এমডির সাথে কথা বলে দেখি তারা কি বলে। বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম খন্দকার শাহ খালিদ নেওয়াজ জানান বর্তমানে ছোট বড় সব মিলিয়ে ১৪ টি ফেরি চলছে ।কাঠালবাড়ি ঘাটে কিছুটা যানবাহনের চাপ রয়েছে এ পারে তেমন কোন চাপ নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ