সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

আফরিনের কেন্দ্রস্থলে ফ্রি সিরিয়ান আর্মি

আফ্রিনের অধিকাংশ এলাকা এখন তুরস্ক সেনাবাহিনীর দখলে

১৮ মার্চ, আল জাজিরা/আনাদুলো এজেন্সি/বিবিসি : সিরিয়ার আফরিন ছিটমহলের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছেছে দেশটির আসাদবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফ্রি সিরিয়ান আর্মি (এফএসএ)। এর মধ্য দিয়ে তারা কুর্দি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে আফরিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নিলো। এফএসএ-এর মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানও ঘোষণা দিয়েছেন, ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’কে সঙ্গে নিয়ে তুর্কি বাহিনী আফরিনের কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ করেছে। তারা শহরটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি আফরিনে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ’ নামের সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ১৮ মার্চ রবিবার কুর্দি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে শহরটির নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয় এফএসএ। রবিবার সকালেও উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে আবাসিক এলাকার সড়কগুলোতে এফএসএ সদস্যদের দেখা গেছে। তারা বিজয় চিহ্ন দেখাচ্ছে, পতাকা উড্ডয়ন করছে। সিরিয়ায় কুর্দি ওয়াইপিজি বিদ্রোহীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে দলটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে তুরস্ক। পালানোর সময় নিহত হচ্ছেন বেসামরিকরা : ১৮ মার্চ, প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবারই কুর্দি মিডিয়াগুলো অনেকের হতাহতের খবর জানায়। গত শনিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাও বেশ কিছু মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, শুক্রবার পালিয়ে যাওয়ার সময় বেসামরিকদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। আর বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি হাসপাতাল। গত ২০ জানুয়ারি আফরিনে ‘অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ নামে’ কুর্দি বিরোধী অভিযান শুরু করে। কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ের পর তুর্কি সেনা ও তাদের সহযোগী ফ্রি সিরিয়ান আর্মির (এফএসএ) যোদ্ধারা আফরিন ঘিরে ফেলেছে। তারা আফরিনের মূল শহরের বাইরে অবস্থান নিয়েছে আর সেখানে ঢোকার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তারা অনেক শহর ও গ্রাম কুর্দি বাহিনীর কাছ থেকে দখলে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত কুর্দি অধ্যুষিত এই এলাকা থেকে দেড় লাখ মানুষ পালিয়ে গেছেন। তুরস্কের দাবি, শুধু কুর্দি সেনাদের লক্ষ্য করেই হামলা চালাচ্ছে তারা। ব্রিটিশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, হাসপাতালে হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। কুর্দি রেড ক্রিসেন্টের এক কর্মকর্তা জানান, সেটিই আফরিনে একমাত্র কাজ করা হাসপাতাল ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ