সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

রূপগঞ্জে স্ট্যান্ড ইজারা নিয়ে বিপাকে ইজারাদাররা

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা এলাকার তিনটি ষ্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ইজারাদাররা। পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী ষ্ট্যান্ডের পরিবহন থেকে পৌর কর (টোল) উঠাতে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। পৌর মেয়র আবুল বাশার বাদশাকে এ ব্যপারে বার বার অবহিত করেও কোন প্রকার ফলাফল না পেয়ে রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ইজারাদারদের দেয়া লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়াপাড়া হামিদুল কাউন্সিলরের বাড়ি সংলগ্ন টেক্সি ষ্ট্যান্ডে পরিবহন থেকে পৌর কর (টোল) আদায়ের সর্বোচ্চ মুল্যে পৌনে ৩ লাখ টাকায় ইজারা পান মিনারা বেগম, কেন্দুয়ারটেক বেবি ষ্ট্যান্ডটি দের লাখ টাকায় ইজারা পান ইসলাম উদ্দিন ও কালাদি বাস-বেবি স্ট্যান্ডটি চার লাখ টাকায় ইজারা পান সামসুন্নাহার। ইজারা পেয়ে পৌরসভায় ইজারার টাকা পরিশোধ করেন ইজারাদাররা। পহেলা বৈশাখ মাস থেকে এক বছরের চুক্তিনুযায়ী স্ট্যান্ডের পরিবহন থেকে পৌর কর (টোল) দায়েরের জন্যে ইজারাদারদের অনুমোদন দেন মেয়র আবুল বাশার বাদশা।
ইজারাদার মিনারা বেগম, ইসলাম উদ্দিন ও সামসুন্নাহার বেগম জানান, বৈধ ভাবে পৌরসভা থেকে সর্বোচ্চ ইজারা পরিশোধ করে পরিবহন থেকে পৌর কর (টোল) আদায় করা হচ্ছে। কোন প্রকার অবৈধ ভাবে নয়। একটি মহল তাদের তিন ইজারাদারকে সামাজিক ভাবে হেয় করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এ জন্যে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তা থেকে চলতি যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ। পৌরসভা থেকে ইজারা দেয়ার কোন নিয়ম নেই। এছাড়া পৌরসভা থেকে ষ্ট্যান্ড ইজারা বাতিল করা হবে বলে পৌরসভা থেকে জানানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ