বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ডিএনসিসির উপনির্বাচন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ইসি'র আপিল ॥ শুনানি রোববার 

 

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচনের তফসিল ও সম্প্রসারিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। আগামী রোববার এর শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি  সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম। আদালত এ বিষয়ে মামলাটির শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচন ও সম্প্রসারিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচন স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ডিএনসিসি মেয়রের শূন্য পদে উপনির্বাচনের ঘোষিত তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট দায়ের করেন রাজধানী উত্তরের বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান।

পরে আইনজীবীরা বলেন, ৯ জানুয়ারির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৮ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। যিনি প্রার্থী হবেন তিনিও জানেন না তিনি ভোটার কিনা। তা ছাড়া মনোনয়নপত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। ভোটার তালিকা প্রকাশ না হলে এটা সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৫ (৩) উপধারায় বলা হয়েছে, মেয়রের পদসহ করপোরেশনের শতকরা ৭৫ ভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইলে এবং নির্বাচিত কাউন্সিলরগণের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইলে, করপোরেশন, এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, যথাযথভাবে গঠিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

আইন অনুযায়ী, উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি মিলে কাউন্সিলর শতকরা ৭৫ ভাগ হয় না। কারণ, নতুন ১৮টিতে তো নির্বাচনই হয়নি। সে হিসাবে মেয়র পদই তো গঠিত হচ্ছে না।

এছাড়াও ডিএনসিসির সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে যারা কাউন্সিলর হবেন তারা কত দিনের জন্য নির্বাচিত হবেন, তারা কী পাঁচ বছরের জন্য হবেন, না আড়াই বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয় রিট আবেদনে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ