বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

সিলেটে আ’লীগ নেতা বিজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২টি মামলা

সিলেট ব্যুরো : সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের বহুল আলোচিত-সমালোচিত যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নগরীর মীরাবাজারের মেসার্স সিটি ফার্নিচার’র স্বত্বাধিকারী রাঙ্গা সিংহ ও তার স্বামী নগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ বাদী হয়ে চার কোটি টাকা আত্মসাত ও হত্যার হুমকি প্রদানের অভিযোগ এনে এ দুটি মামলা দায়ের করেন । আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক সাইফুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী শেখ পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার অভিযোগে জানা যায়, ‘২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাদীদ্বয়ের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা চাঁদা হিসেবে নেন। এছাড়া তারাপুরের ভূমি জোরপূর্বক বিক্রির টাকাসহ ৪ কোটি টাকা আত্মসাত করেন বিজিত চৌধুরী। তিনি অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী, মোল্লা আবু কাওছার, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের, কখনো ক্রীড়া সংস্থার, কখনো মন্ত্রীদের বন্ধু, কখনো পত্রিকার সম্পাদকসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় করেন। পাওনা টাকার বিপরীতে বাদীকে চেকও দেন বিজিত। কিন্তু ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে চেক ফেরত আসে।’ এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন- ‘নগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ একটা সময় আমার কর্মচারী ছিলো। সে কোন একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দায়ের করেছে। আমি এ আইনের আশ্রয় নিবো। নগেন্দ্র সিংহ যে অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট সেটি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।’ বিজিত চৌধুরী আরোও বলেন- ‘নগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ সময় সে আমাকে ব্যবসা করার জন্য পার্টনার হওয়ার অনুরোধ করে। পরে আমি তাকে ব্যবসার জন্য বিভিন্ন সময়ে ২০ থেকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছি। এগুলোর কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া তার একটি ব্যাংক লোনেও আমি নিজে গ্রান্টার হিসেবে আছি। কিন্তু এখন সে কোন একটি মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। আমি এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।’ অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী, মোল্লা আবু কাওছার, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের, কখনো ক্রীড়া সংস্থার, কখনো মন্ত্রীদের বন্ধু, কখনো পত্রিকার সম্পাদকসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় প্রসঙ্গে বিজিত চৌধুরী বলেন- ‘এই সিলেট শহরের কারোর কাছ থেকে আমি কোনদিন ১শ’ টাকাও চাঁদাবাজি করিনি। আর কারোর নাম ভাঙানোর প্রশ্নও উঠেনা। আপনারা সাংবাদিকরাও বিষয়টি অবগত রয়েছেন।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ