বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

জাতিকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ফিরিয়ে আনতে হবে -পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, রাসূল সা.এর আদর্শ অনুসরণ ও অনুকরণ না থাকায় হিংসা-বিদ্বেষের আগুনে মানুষ জ্বলেপুড়ে ছাই হচ্ছে। সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ে জর্জরিত জাতিকে বাঁচাতে হলে রাসূল সা.-এর অনুপম আদর্শের রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। নৈতিকতা বিবর্জিত জাতিকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ফিরিয়ে আনতে হলে ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই।
গতকাল বিকেলে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি শের-ই বাংলানগর থানা শাখার উদ্যোগে রাজধানীর শের-ই বাংলানগরস্থ আগারগাঁও পাকা মার্কেট মসজিদ প্রাঙ্গণে বিশাল ইসলামী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম রাজাবাজার জামে মসজিদের খতীব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি ঢাকা বিভাগীয় ছদর হাফেজ মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা ওয়ালীউদ্দিন রাশেদী, মুফতি ফয়জুল্লাহ ফয়েজী, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, মুফতি কামরুল ইসলাম আরেফী ও মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। সম্মেলন পরিচালনা করে মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
চরমোনাই পীর বলেন, জাতিকে নৈতিকতাহীন করার পেছনে ঈমান ও ইসলাম বিধ্বংসী শিক্ষাআইন ও সিলেবাসই বেশি দায়ী। জাতিকে চরম ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে ঈমান ও ইসলাম বিধ্বংসী শিক্ষা আইন সংশোধন প্রয়োজন।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গো-রক্ষার নামে হিন্দু উগ্রবাদীরা অসংখ্য মুসলমানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ভারতের পশুবাদী সন্ত্রাসী হিন্দুরা ধারাবাহিকভাবে মুসলমানদের উপর তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অবিলম্বে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর পশুবাদী হিন্দুদের নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ না হলে মুসলমানরা নিরবে বসে থাকবে না। সারাবিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমান বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দিতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, ভারত বিভিন্নভাবে মুসলমানদের উপর তাদের নগ্ন আক্রমন করে যাচ্ছে। সেইসূত্রে ভারতীয় চলচ্চিত্রে ‘আল্লাহ মেহেরবান’ নামক সিনেমায় চরম অশ্লীলতার প্রকাশ করা হয়েছে এবং হযরত আয়েশা রা. চরিত্রে কলঙ্ক লেপন করা হয়েছে। এভাবে ভারতীয় ছবি মুক্তির মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে বিশোদগার করেই যাচ্ছে। তাই অবিলম্বে এধরণের ভারতীয় ছায়াছবিসহ সব ধরনের চ্যানেল বাংলাদেশে বন্ধ করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ