বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট : চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

দাগনভূঞা (ফেনী) সংবাদদাতা: দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের অভাব,সরঞ্জাম অপ্রতুল, অকেজো এক্সরে মেশিন. জেনারেটর, এম্বুলেন্স, ডাক্তারদের আবাসিক ভবনের আশপাশ মাদক সেবিদের নিরাপদ স্থান, নিরাপত্তাহীনতা ডাক্তারগণ, অসংরক্ষিত এলাকায় পরিণত হয়েছে কমপ্লেক্স এলাকা। সমস্যাগুলো তুলে ধরলেন উপজেলা প.প স্বাস্থ্যকর্মকর্তা আবুল খায়ের মিয়াজী। ৫০ শয্যা অনানুষ্ঠানিকভাবে চালু করায় দাগনভূঞা কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ১২ মার্চ মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো জানান, ৩১ শয্যার সাথে ১৯ শয্যাসহ ৫০ শয্যা অনানুষ্ঠানিক চালু করা হয়েছে। রোগীরা শয্যার অভাবে অনেক সময় বারান্দায় রাখা হয়। তিনটি ইউনিট চালু করা হয়েছে পুরুষ রোগীদের নতুন ভবনে রাখা হয়েছে। নতুন ভবনটি ২০১২ সালে কাজ শেষ হলেও আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর ও প্রয়োজনীয়তার অভাবে দীর্ঘদিন চালু করা হয়নি। ঠিকাদারের অবহেলার কারণে ভবনটির অনেক জায়গায় ফাটল ও মেঝের টাইলস গুলো উঠে যাচ্ছে।
অনেক গুলো দরজা ভেঙ্গে যাচ্ছে,  ২৮ লক্ষ টাকার ডিজিটাল যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জনবলের অভাবে পর্যাপ্ত পরিমানে সুযোগ সুবিধা না পেলেও স্বাস্থসেবা দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তাদের অনুমোদিতের পর ৮টি শূন্য, ২য় শ্রেনী কর্মকর্তাদের মধ্যে ১২ টি শূন্য,তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারীদের ৫৪ টির মধ্যে ২৮টি শূন্য,চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের মধ্যে ১৩ টি শূন্য। ৩১ শয্যা পূরণ করতে এসব পদ অনতি বিলম্বে পূরণ করা জরুরী।
এছাড়া ১৯ শয্যা চালুর জন্য জনবল ও সরঞ্জামের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে  আবেদন করা হলে  অর্থমন্ত্রণালয়ে স্থগিত হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন।
জনবল সমস্যা সরঞ্জাম, অ্যাম্বুলেন্স, জেনারেটর, আবাসিক ভবন সকল সমস্যা ও মাদকসেবীদের অভয়াশ্রম থেকে হাসপাতাল কমপ্লেক্সকে রক্ষা করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ অতি জরুরী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ