রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

এসএসসি ও দাখিলের প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৮৫২০

স্টাফ রিপোর্টার : এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আট হাজার ৫২০ জন। অপরদিকে পরীক্ষায় নকলের দায়ে ১৬ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোন পরিদর্শক বহিষ্কার হননি। এ দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর পর ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ ল্যাবরেটরি স্কুলকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রথমদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র, বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রথমপত্রের পরীক্ষা হয়েছে। দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ এবং কারিগরিতে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা হয়েছে।
এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি মিলিয়ে এবার মোট পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। এরমধ্যে আট বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ ও এসএসসি ভোকেশনালে (কারিগরি) এক লাখ ৪ হাজার ২১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্রান্ত এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, এসএসসিতে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে এক হাজার ২৩৯, কুমিল্লা বোর্ডে ৭১৬, যশোরে ৪৩২, রাজশাহীতে ৪৩১, চট্টগ্রামে ৩২৫, সিলেটে ২৬৫, বরিশালে ২৯৪ ও দিনাজপুর বোর্ডে ৩৬৯ জন রয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে তিন হাজার ২১২ ও কারিগরি বোর্ডে এক হাজার ২৩৭ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। ঢাকা বোর্ডে একজন, মাদরাসা বোর্ডে ৫ ও কারিগরি বোর্ডে ১০ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটি মহল প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ায়। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সবসময় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছিল। আমরা তা বন্ধ করেছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। আমরা ছেলেমেয়েদের উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই। বর্তমানে যে প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে তাতে শিক্ষার্থীরা খুশি। তারা আনন্দ উল্লাসের মধ্যে পরীক্ষা দিচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে প্রতিদিন দুটি করে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে আভাস দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে দুই বেলা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিন। তিনি বলেন, আমরা একসময় দিনে দুটি পরীক্ষা দিয়েছি। এখন দুনিয়া বদলেছে ও এগিয়েছে। এখনকার ছেলেমেয়েরা নার্ভাস নয়। আপনারা কেনো নার্ভাস হচ্ছেন?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ