বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রাণীনগরে আলুর ভালো ফলনের সম্ভাবনা

রাণীনগরে আলু ক্ষেতে সবুজের সমারোহ

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর রাণীনগরে চলতি রবিশস্য মওসুমে আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চাষযোগ্য জমিতে মাঠে মাঠে এখন শুধু আলু গাছের সবুজ রং এর সমরাহ। এ বছর বড় ধরণের বন্যা না হওয়ার কারণে রোপা-আমন ধান কাটার সাথে সাথে মাঠে রবিশস্যের উপযোগি চাষযোগ্য জমিতে কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। সরকার পর্যায় থেকে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণসহ রাসায়নিক সার বিনা মূল্যে যথা সময়ে বিতরণ করায় এই এলাকার কৃষকদের আগাম জাতের আলু লাগানো সম্ভব হয়েছে। 

চলতি রবিশস্য মওসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ না থাকায় আলু চাষের অনুকূল পরিবেশ থাকায় নিবির পরিচর্যা, স্থানীয় কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ ও আবহাওয়া ভাল থাকার কারণে রোগবালাই মুক্ত হওয়ায় অন্যান্য রবিশস্যের পাশাপাশি আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। গ্রামীণ জনপদের প্রান্তিক কৃষকরা এবার ডায়মন্ড, লালপাকরী ও দেশী জাতের আলু লাগিয়েছে। যথা সময়ে আলু ঘরে তুলতে পাড়লে এবং বাজারের চাহিদা ও মূল্য ভাল থাকলে আলু চাষে কৃষকদের আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন। 

জানা গেছে, চলতি রবিশস্য মওসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৮শ’ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এবছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আলু চাষিদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরী সহযোগিতার কারণে আলু ক্ষেতে রোগ-বালাই অনেকটায় কম। তবে ঘনকুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে আলু চাষিরা কিছুটা আতংকে রয়েছে। আগামী ইরি-বোরো ধান উৎপাদনের প্রস্তুতি হিসেবে প্রান্তিক চাষিরা কিছুটা বাধ্য হয়েই অন্যের জমি বর্গা নিয়ে আলু, সরিষা, গম ও ভূট্টা চাষে অতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। উপজেলার সদর, বড়গাছা, মিরাট, কাশিমপুর, গোনা ও পারইল ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ