রবিবার ২৬ জুন ২০২২
Online Edition

তিন কট্টর মুসলিম বিদ্বেষীকে বেছে নিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক: তিনজন কট্টর ‘মুসলিম-বিদ্বেষী’ ট্রাম্প প্রশাসনে জায়গা করে নিচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র নতুন পরিচালকের মত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদে নিয়োগ লাভ করতে যাচ্ছেন।এই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মুসলিম বিদ্বেষী ও অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থানের অভিযোগ রয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স, সিএনএনের।

এ নিয়ে গোটা মুসলিম দুনিয়ায় রীতিমতো উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আতঙ্কে রয়েছেন পশ্চিম এশিয়া ও জন্মসূত্রে বিশাল সংখ্যক মার্কিন মুসলিম নাগরিক।

হোয়াইট হাউসের কয়েকজন বিদায়ী ও নতুন আমলা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, 'ট্রাম্প প্রশাসনে তাদের যুক্ত হওয়ার ফলে আমেরিকার ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ বলে পরিচিত আরব দেশগুলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যেতে পারে। সেটা আরও বেশি উদ্বেগের এই কারণে যে, ওই আরব দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়েই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ‘ইসলামিক স্টেট’-এর বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান চলছে।'

মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাবী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিনকে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করায় সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন মুসলমানরা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা এজেন্সির সাবেক প্রধান ফ্লিন এর আগে বেশ কয়েকবার মুসলিমদের ‘ক্যান্সার’ রোগের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, '‘আমেরিকায় মুসলিমদের সম্পর্কে যে ভয়টা রয়েছে তা রীতিমতো যুক্তিযুক্ত।'

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আপত্তির দ্বিতীয় কারণ হচ্ছেন, সিনেটর জেফ সেশন্‌স। ট্রাম্প যাকে পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে বেছে রেখেছেন। যিনি প্যারিস হামলার ঘটনার পর আমেরিকায় সাময়িকভাবে মুসলিম অনুপ্রবেশের বিরোধিতা করেছিলেন। আর ইসলাম ধর্মকে বলেছিলেন ‘বিষাক্ত মতাদর্শ’।

তাদের অপছন্দের তৃতীয় কারণ, ট্রাম্প যাকে সিআইএ-র নতুন ডিরেক্টর করতে চলেছেন, সেই মাইক পম্পিও। যিনি মিশরের একটি মুসলিম সংগঠন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড'কে মার্কিন মুলুকে নিষিদ্ধ করার বিলটি আনার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা নিয়েছিলেন।

ডি.স/আ.হু

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ