মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রাজশাহীতে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রন্থাগারিক আটক

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে এক লাইব্রেরিয়ানকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত স্কুল লাইব্রেরিয়ান শহিদুল ইসলাম (৩৮) উপজেলার দিগরাম হাইস্কুলে চাকরিরত। এঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রীর মা  গোদাগাড়ী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের জৈটা বটতলা এলাকার মাদ্রাসা মাঠে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা পাশের গ্রামে ইসলামী জলসা শুনতে যান। বাড়িতে ওই স্কুলছাত্রী একাই ছিলো। রাত ৯টার দিকে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম প্রাচীর টপকে ঘরে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে  গেলে এলাকাবাসীর সহায়তায় শহিদুলকে আটক করে। পরে পুলিশ তাকে  থানায় নিয়ে আসে। এদিকে স্থানীয়রা জানায়, বুধবার রাতে পরিবারের সাথে দ্বিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম  শ্রেণীর ছাত্রী আলী আহম্মদের মেয়ে তার মায়ের সাথে জালসা শুনতে যায়। এরই ফাঁকে ওই শহিদুল ইসলাম  মোবাইল  ফোনে স্কুল ছাত্রীটিকে প্র¯্রাব করার কথা বলে মায়ের কাছ হতে বাড়িতে আসার বুদ্ধি  দেয়। পরে  মেয়েটি তার কথা মতো বাড়িতে এসে উভয়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে জড়িয়ে পড়ে। এর আগে  মেয়েটির বাড়িতে শহিদুল ইসলামকে ঢুকতে  দেখে স্থানীয় জনগণ বাড়ি  ঘেরাও করে স্কুল ছাত্রী ও শহিদুল আপত্তিকর অবস্থায় ধরে  ফেলে। পরে তাকে গণধোলায় দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। স্থানীরা জানায়, শহিদুল ইসলাম লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি করলেও বাংলা বিষয়ের ক্লাস নিতেন। প্রায় দেড় বছর আগে হতে তাদের মাঝে  প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গোদাগাড়ী থানা পুলিশ জানায়, ধর্ষণ মামলায়  গ্রেফতার  দেখিয়ে সকালে শিক্ষক শহিদুলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নির্যাতিত ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে রাজশাহী  মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ