বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ইসলাম ও কুরআন নিষিদ্ধের কোন ষড়যন্ত্রই বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : ২০০১ সালে ফতোয়া রক্ষার আন্দোলনে শাহাদৎ বরণকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ শহীদদের স্মরণে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বাদ যোহর স্থানীয় পৌর মিলনায়তনে জেলা ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমীর আল্লামা মনিরুজ্জামান সিরাজীর সভাপতিত্বে এক বিশাল স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত স্মরণ সভা ও দোয়ার মাহফিলে বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশে বহু হত্যাকান্ডের বিচার হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার আজও হচ্ছে না যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। কারণ তারা ক্ষমতার জন্য নয় বরং ইসলামের জন্য ফতোয়া রক্ষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে শাহাদাত বরণ করে গিয়েছেন। সেই ৬ শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার বাংলার মাটিতে একদিন হবে। বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আল্লাহ, রাসূল ও কুরআনের প্রতি বিশ্বাসী। যে ওলামায় কেরামগণ দেশে স্বাধীনতা রক্ষা করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে, আজ তাদের কর্মতৎপরতা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে। এটা মুসলমানদের দেশ, ইসলাম কুরআন নিষিদ্ধের কোন ষড়যন্ত্রই এ দেশে বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। বক্তাগণ সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশ থেকে কুরআন ও ইসলামকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় আগামী দিনে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রস্তুত থাকতে হবে। নেতৃবৃন্দগণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ শহীদের শাহাদাতের কথা স্মরণ করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ শহীদের শাহাদতের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের বিজয় ধারা সূচিত হয়েছে। এই বিজয়ের ধারাকে যারা নস্যাৎ করতে চায় তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। অন্যথায় এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও ইসলাম টিকবে না। মাওলানা বোরহান উদ্দিন আল মতিন ও মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান এর যৌথ পরিচালনায় উক্ত স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন হাফেজ মাওলানা মো. ইদ্রিছ, মুফতি আবদুর রহিম কাশেমী, মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা আলী আজম, মাওলানা মেরাজুল হক কাছেমী, মাওলানা মহিবুল আলম, মাওলানা আবদুল্লাহ, হাফেজ এমদাদ উল্লাহ, হাফেজ মোস্তাক আহমদ, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন, গাজী কাউছার আহমদ, মাওলানা আনিস চৌধুরী, হাফেজ কাউছার মোল্লা, হাফেজ ফয়সাল আহমেদ, মাওলানা খলিলুর রহমান প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ