বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

কাদের স্বার্থ রক্ষায় ইসলামী রাজনীতি বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে দেশবাসী তা জানতে চায়

স্টাফ রিপোর্টার : মুসলমান প্রধান এই দেশে জনগণের সেন্টিমেন্ট বিরোধী এবং মুসলমানদের স্বার্থ পরিপন্থী ইসলামী রাজনীতি বন্ধের চক্রান্ত কার স্বার্থে দেশবাসী তা জানতে চায়। গতকাল শনিবার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক বিবৃতিতে সরকারের নিকট প্রশ্ন রেখে আরো বলেন, ইসলামী রাজনীতি বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করা হলে সরকারের পতন অনিবার্য। কাদের পরামর্শে বা কার স্বার্থ রক্ষায় ইসলামী রাজনীতি বন্ধ করার চক্রান্ত করা হচ্ছে দেশবাসী তা জানতে চায়। ইসলামী আন্দোলন : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু থাকলেও সরকার ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের চক্রান্তে মেতে উঠেছে। মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে ইসলামই হওয়া উচিত এ দেশের রাষ্ট্র পরিচলনার মূলনীতি অথচ তা না করে মুসলমানদের স্বার্থবিরোধী ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের চক্রান্ত কার স্বার্থে? তা দেশবাসী জানতে চায়। গতকাল শনিবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ আলী মোস্তফার সভাপতিত্বে পুরানা পল্টনের সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সুলতান আহমদ খান, মাওলানা নূর আলম হাওলাদার, হাফেজ জয়নুল আবেদীন, ডা. কামরুজ্জামান প্রমুখ। ইসলামী শাসনতন্ত্র শ্রমিক আন্দোলন : ইসলামী শাসনতন্ত্র শ্রমিক আন্দোলনের আহবায়ক মোহাম্মদ আবু সাঈদ সিদ্দিকী ও ঢাকা মহানগর আহবায়ক শফিকুল আমীন খান এক যুক্ত বিবৃতিতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের পাঁয়তারায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু থাকলেও সরকার ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের চক্রান্তে মেতে উঠেছে। সরকার পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে তুরস্কের ভাগ্যবরণ করাতে চাচ্ছে। যারা বাংলাদেশকে সেক্যুলার রাষ্ট্র বানাতে চাচ্ছে তাদের প্রতি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে তারা বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি দমনে দেশে ইসলামী রাজনীতির বিকল্প নেই। ধর্মহীন রাজনীতিই যে শোষণের হাতিয়ার দেশ শাসনের ৩৮ বছরে দেশবাসীর কাছে তা বারবার প্রমাণ করেছে। তাই ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ নয় বরং জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে ধর্মহীন রাজনীতিই নিষিদ্ধ করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ