বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ইসলামী ছাত্রশিবির দেশী-বিদেশী ইসলাম বিদ্বেষীদের ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেকমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, ইসলামী ছাত্রশিবির দেশী বিদেশী ইসলাম বিদ্বেষীদের ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। আল্লাহ যেন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সকল অশুভ শক্তির কুনজর ও চক্রান্ত ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন। তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের ধ্বংস করতেই মুখে নেশা আর হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া হচ্ছে। এই মারাত্মক অভিশাপ থেকে ছাত্রসমাজকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম ইসলামী ছাত্রশিবির। তিনি শিবিরের নেতাকর্মীদের কুরআন হাদীসের ভিত্তিতে জ্ঞান চর্চা ও রাসূল (সা.)-এর আদর্শকে সামনে রেখে উন্নত নীতি নৈতিকতার উন্মেষ ঘটানোর পাশাপাশি একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গতকাল শনিবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, ঢাকা মহানগরীর আমীর রফিকুল ইসলাম খান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান, সদ্যবিদায়ী সেক্রেটারি জেনারেল শিশির মুহাম্মদ মনির। সভা পরিচালনা করেন শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। মাওলানা নিজামী তার বক্তব্যের শুরুতে শিবিরের ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ১৩৩ জন শহীদকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ৩৩ বছর আগে দেশে যখন চরম সংকটকাল চলছিল, সবাই যখন হতাশায় নিমজ্জিত ছিল, সে সময় সাহসী ভূমিকা নিয়ে যারা এ সংগঠনের ভীত রচনা করেছিলেন, তাদের প্রতি সংগ্রামী সালাম। তিনি বলেন, আমাদের আসল পুঁজি যুবসমাজ। তাদের জাতীয় সম্পদ, মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন, যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে নানা আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসনে যুবসমাজকে নিমজ্জিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের সীমান্ত রেখার অতি নিকটে মাদকের ইন্ডাস্ট্রি, বাংলাদেশকে জাতি হিসেবে পঙ্গু করে দেয়ার জন্যই করা হয়েছে। অস্ত্র চোরাচালানের মাধ্যমে যুব সমাজকে ধ্বংস করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের ধ্বংস করতেই মুখে নেশা আর হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া হচ্ছে। এই মারাত্মক অভিশাপ থেকে ছাত্র সমাজকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম ইসলামী ছাত্রশিবির। আমীরে জামায়াত বলেন, সুশীল সমাজ ও দাতা গোষ্ঠীরা সুশাসন, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতার নসীহত করে থাকেন। ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে, নীতিনৈতিকতার সফল অনুশীলন ছাড়া আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এটা উপহার দিতে পারে ইসলামী ছাত্রশিবির। তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রশিবির ছাত্র-যুবসমাজের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নেয়ামত, রহমত। যারা এ দেশকে শান্তি সুখের, ন্যায় ইনসাফের দেশ হিসেবে দেখতে চায়, এ দেশকে সন্ত্রাস দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে দেখতে চান তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির ছাত্ররাজনীতির অঙ্গনে জ্ঞান চর্চার একটি সুন্দর ধারা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তারা উন্নত নীতিনৈতিকতার উন্মেষ ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। তরুণ সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষার নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। এ শক্তিকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতি হিসেবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। মাওলানা নিজামী বলেন, শিবিরকে নিয়ে অনেকের মাথা ব্যথার কারণ হচ্ছে, রাষ্ট্র প্রশাসনের ধারে কাছে যাদের যাওয়ার সুযোগ নেই, তারা ইসলামের কথা বললে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যারা আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ তারা যদি ইসলামের কথা বলে, ইসলামী নীতি আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, তাহলে ইসলামের বিজয় ঠেকানো সম্ভব হবে না। এ কারণেই ইসলামী ছাত্রশিবির দেশী বিদেশী ইসলাম বিদ্বেষীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। তিনি দোয়া করেন, আল্লাহ যেন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সকল অশুভ শক্তির কুনজর, চক্রান্ত ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, এই শক্তিকে সাহস যোগানোর ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব। স্বউদ্যোগে আমাদের সন্তানেরা ইসলামী জ্ঞান চর্চায় এগিয়ে এসেছে। এর চেয়ে বড় কথা আর কী হতে পারে? যে দায়িত্ব আমাদের পালন করার কথা ছিল, তারা স্বেচ্ছায় সে দায়িত্ব পালন করছে। যারা দেশের ভালো চান, শান্তি সুখের, ন্যায় ইনসাফের দেশ হিসেবে দেখতে চান, দুর্নীতি সন্ত্রাস মুক্ত দেশ হিসেবে দেখতে চান, তাদের সকলের উচিত এ কাফেলাকে সহযোগিতা করা। আমীরে জামায়াত বলেন, আমরা ছাত্রদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চাই না। ছাত্রদের কাছে আমাদের চাওয়া পাওয়া হচ্ছে, তোমরা নিজেদের আদর্শ মানুষরূপে গড়ে তুলবে। সমাজজীবনের সর্বত্র উন্নত নীতিনৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার সেই মানবীয় গুণাবলীর যোগ্যতার মূর্তপ্রতীক হিসেবে গড়ে নিজেদের গড়ে তুলবে। আল্লাহ যেন শিবিরকে সেই প্রত্যাশা পূরণের তৌফিক দেন। তিনি শিবিরের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিবেশ যাই হোক না কেন, তোমরা মৌলিক কাজ কুরআন হাদীসের ভিত্তিতে জ্ঞান চর্চা, রাসূল (সা.)-এর আদর্শকে সামনে রেখে উন্নত নীতিনৈতিকতার উন্মেষ ঘটানোর পাশাপাশি একাডেমিক ক্যারিয়ার উজ্জ্বল করার দিকে নজর দিবে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির হচ্ছে ভবিষ্যতের আয়না। জাতির আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে শিবিরকেই তাদের মেধা ও যোগ্যতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের ১৫ কোটি মানুষের হৃদয়ে ইতোমধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির স্থান করেছে নিয়েছে। তিনি বলেন, রাসূল (সা:) এর জীবদ্দশায় যুবকরাই ইসলামের খেদমতে বেশি নিয়োজিত ছিলেন। আর কেয়ামতেন দিন যুবকরাই মহান আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করবে। তিনি আরো বলেন, শিবির কোন খড়কুটা বা কচু পাতার পানি নয় যে কারো ফুঁৎকারেই নিঃশেষ হয়ে যাবে। জাতির যে কোন ক্রান্তিকালে শিবির সং নেতৃত্ব আর তাদের দক্ষতা যোগ্যতা নিয়ে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে তিনি শিবির কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন, ইসলামের যথাযথ অনুসরণ আর ছাত্রসমাজকে সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়ার মাধ্যমেই ইসলামী ছাত্রশিবির আজ দেশের শ্রেষ্ঠতম ছাত্র সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছাত্রদের হৃদয় জয় করতেও সক্ষম হয়েছে শিবির। রক্তের সিঁড়ি বেয়ে শিবির আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দেশকে সন্ত্রাস বা দুর্নীতিমুক্ত করে সমৃদ্ধশালী একটি দেশ গড়তে শিবির দেশের মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, নানা অপপ্রচার আর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শিবির তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। আর এই অগ্রযাত্রার মাধ্যমেই তারা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ গড়তে সক্ষম হবে। তিনি বিগত এক বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার সমর্থিত ছাত্র সংগঠনগুলোর অবিরাম সন্ত্রাস আর দখলবাজির কথা উল্লেখ করে বলেন, সাধারণ ছাত্রদের মাঝে আশার সঞ্চার করতে হলে শিবিরকে সকল ছাত্রদের মাঝ ইসলামের দাওয়াত এবং শিবিরের আদর্শ পৌঁছাতে হবে। সকল ছাত্রকে শিবিরের ছায়াতলে নিয়ে আসতে হবে। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, একটি সুখী সমৃদ্ধশালী আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই শিবিরের যাত্রা শুরু হয়েছে। ইসলামী অনুশাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত ইসলামী ছাত্রশিবির বর্তমানে দেশে একটি সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী ছাত্রদের এক নম্বর ঠিকানা হচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। প্রতিটি ক্যাম্পাসে পথহারা ও দিশাহারা ছাত্রদের সঠিক পথের সন্ধান দিচ্ছে ছাত্রশিবির। আর সে কারণেই হামলা মামলা এবং মিথ্যাচার করে শিবিরের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশ থেকে ইসলামী রাজনীতি বন্ধ করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দেশে নাস্তিকদের রাজনীতি থাকবে আর ইসলামী রাজনীতি থাকবে না এটা মেনে নেয়া হবে না। ইসলামী রাজনীতি আমাদের ঈমানের সাথে এবং আমাদের অস্তিত্বের সাথে জড়িত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এমন পরিকল্পনা নিয়েই শিবির তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল। আর এটা বুঝতে পেরেই ষড়যন্ত্রকারীরা শিবিরের বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করে। শিবিরের ওপর নেমে আসে অত্যাচার আর নির্যাতনের স্টীম রোলার। কিন্তু তারপরেও এটাই প্রমাণ হয়েছে যে শিবিরকে দমন করা যায় না, ভবিষ্যতেও শিবিরের আদর্শকে পরাভূত করা যাবে না। যতই ষড়যন্ত্র আর মিথ্যাচার করা হোক না কেন শিবিরের অভ্যন্তরীণ শৃংখলা আরো শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, একটি ধর্মবিমুখ শিক্ষানীতি জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করতে ভারতে সাথে গোপন চুক্তি করে দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বিডিআর বাহিনীকে দুর্বল করে সীমান্তকে অরক্ষিত করা হয়েছে। সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইসলামী ছাত্রশিবির ১৩৩টি কেন প্রয়োজনে লক্ষ প্রাণের বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত রয়েছে। বিগত দিনে শিবিরের কল্যাণকর বিভিন্ন কার্যক্রমে এটাই প্রমাণ হয়েছে দেশের বেশিরভাগ জনসমর্থন ছাত্রশিবিরের পক্ষেই রয়েছে। তিনি বলেন শিবিরকে ধ্বংস করতে অতীতে ২২ দল করেও কোন লাভ হয়নি বরং যারাই শিবিরকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র করেছে তারাই ধ্বংস হয়ে গেছে। ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে শিবির কালের আবর্তে আজ দেশে একটি বট বৃক্ষের মতো শাখা প্রশাখা বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়েছে। শিবিরকে নিশ্চিহ্ন করতে অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে শিবিরকে এবং ইসলামী আন্দোলনের পথযাত্রাকে চিরতরে নিঃশেষ করার জন্য যেভাবে নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল সেদিন শিবিরের ভাইদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে জীবন দিয়ে হলেও ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে শিবির কর্মীরা সর্বদাই প্রস্তুত রয়েছে। জাহিদুর রহমান বলেন, গোটা দেশেই আজ ভয়ংকর এক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তাই আজ দেশের প্রয়োজনেই শিবির নেতাকর্মীদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিশির মুহাম্মদ মনির বলেন, স্বপ্নময় নতুন প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। আগামী দিন শুধু সম্ভাবনার। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য তিনি শিবিরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সভাপতির বক্তব্যে রেজাউল করিম বলেন, আগামী ২০২৭ সালকে টার্গেট নিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ষড়যন্ত্র করে আমাদের সেই পথ থেকে এক বিন্দুও বিচ্যুত করা যাবে না। তিনি বলেন, সরকারের প্রশাসনে যে বা যারাই সৎ বা দুর্নীতিমুক্ত রয়েছেন তাদের অতীত বিশ্লেষণ করতে দেখা যাবে তারা এক সময় অবশ্যই শিবিরের সংস্পর্শে বা সান্নিধ্যে ছিলেন। কাজেই আগামী দিনে দুর্নীতিমুক্ত একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিবিরের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আজ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন তথা ছাত্রলীগের হাতে তাদের নিজ দলের কর্মীরাই নিরাপদ নয় বরং তাদের নিজেদের হাতে নিজেদের জীবন দিতে হচ্ছে সেখানে এই ছাত্রলীগের হাতে ক্যাম্পাসগুলো নিরাপদ থাকবে কিভাবে সেটিও আজ প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ