আন্তর্জাতিক
একমাত্র তুরস্কই পারে ইইউকে বাঁচাতে: এরদোয়ান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটা অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। তুরস্কের পূর্ণ সদস্যপদ প্রদানই সংস্থাটিকে এই অচলাবস্থা থেকে উদ্ধারের একমাত্র উপায়। গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটা অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। তুরস্কের পূর্ণ সদস্যপদ প্রদানই সংস্থাটিকে এই অচলাবস্থা থেকে উদ্ধারের একমাত্র উপায়। গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন।
ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদন মতে, পশ্চিমা দেশগুলোতে যে কট্টর ডানপন্থার উত্থান ঘটছে সে ব্যাপারে সতর্ক করেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। বলেন, এমন কট্টরপন্থি আন্দোলন ইউরোপীয় দেশগুলোতে এখন মূলধারায় পরিণত হয়েছে।
কট্টর ডানপন্থা ইউরোপীয় রাজনীতির নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা পশ্চিমে অভিবাসীবিরোধী এবং ইসলামবিদ্বেষী কট্টর ডানপন্থি আন্দোলনের উত্থানের দিকে নজর রেখে আসছি। দুর্ভাগ্যবশত সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অনেক নির্বাচনের মধ্যদিয়ে আমাদের সেই উদ্বেগ সত্যি হয়েছে।’
কট্টর ডানপন্থি ও অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দল এএফডি চলতি সপ্তাহের নির্বাচনে জার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠেছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে জনবহুল দেশটিতে নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে মুসলিম ও তুর্কিদের ভীত ও সন্ত্রস্ত করে তুলেছে।
তুরস্ককে ইইউর সদস্যপদ দেয়ার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে এরদোয়ান আবারও বলেন, সিরিয়া ও ইউক্রেনের ঘটনাগুলো এটা নিশ্চিত করেছে যে তুরস্ককে ইউরোপের প্রয়োজন। ইইউ যে অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে তা থেকে কেবল তুরস্কই তাকে উদ্ধার করতে পারে। ইউনিয়নে তুরস্কের পূর্ণ সদস্যপদই তার প্রয়োজনীয় প্রাণশক্তি। ইইউ যত তাড়াতাড়ি এই বাস্তবতা বুঝতে পারবে, ততই মঙ্গল হবে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, আঙ্কারা ইইউতে যোগদান প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আগ্রহী। তার কথায়, ‘দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে আমরা দ্রুত ফলাফল অর্জন করতে পারব। সেই সাথে আমরা দেখব প্রক্রিয়াটি কোন দিকে এগোয়।’
এর আগে ইইউর সদস্যপদের ব্যাপারে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান ব্যর্থ হলে তুরস্ক অন্যান্য বিকল্প বিবেচনা করবে। তুরস্ক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইইউয়ের সদস্যপদের প্রার্থী ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে এ আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। তবে আঙ্কারা এখনও আশা ছেড়ে দেয়নি।