DailySangram-Logo-en-H90
ই-পেপার আজকের পত্রিকা

রাজধানী

স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত পরিলক্ষিত হয়নি -------ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত পরিলক্ষিত হয়নি মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, প্রতিটি হত্যাকান্ডের পর দেখা গেছে সরকার দায়সারা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

Printed Edition

স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত পরিলক্ষিত হয়নি মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, প্রতিটি হত্যাকান্ডের পর দেখা গেছে সরকার দায়সারা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ঐ কমিটিকেও স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে দেওয়া হয় না। আবার সরকারের আজ্ঞাবহ তদন্ত কমিটিকেও দেখা যায় গড়িমসি করে কালক্ষেপন করতে। দীর্ঘসূত্রিতার ফলে শেষ পর্যন্ত প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপায় পড়ে যায়। এই সুযোগে অপরাধীরা পাড় পেয়ে যায়।

গতকাল বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস (বিএপি) আয়োজিত বিডিআর হত্যাকান্ডে শহীদ ল্যাফটেন্যাট কর্নেল ডা. লুৎফুর রহমান খান স্মারক বক্তৃতা - ২০২৫ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, পিলখানা হত্যাকান্ডের ঘটনায় অন্তবর্তীকালীন সরকার তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। তদন্ত কমিশন প্রভাবিত হয় এমন কোন বক্তব্য থেকে দায়িত্বশীলদের বিরত থাকতে হবে। গতকাল পর্যন্ত মিডিয়ায় যে বক্তব্য শুনা গেছে তাতে মনে হয় গঠিত কমিশন স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত কাজ শেষ করতে পারবে না।

ড. মাসুদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অস্তিত্বে আঘাত করতে ভারত পিলখানা হত্যাকান্ড সংঘটিত করেছে। কারণ পিলখানা হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক সেনাকর্মকর্তাদের হত্যা করে হত্যার দায় বিডিআর-এর উপর চাপিয়ে দিয়ে এই বাহিনী বিলুপ্তি করে নিজস্ব লোকদিয়ে নতজানু একটি বাহিনী গঠন করবে। এতে সীমান্তে ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিস্তারের পথসুগম হবে। ভারতের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে শেখ হাসিনা। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর দরবার হলে শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি সেখানে না গিয়ে গণভবনে বসে এই হত্যাকান্ড পরিচালনা করেছেন। বিডিআর জোয়ানেরা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের আটক করে রাখছে, গুলি চালাচ্ছে সেনাপ্রধানকে সংবাদ দেওয়ার পরও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি। কারণ এই হত্যাকান্ড ভারতের ইচ্ছায় শেখ হাসিনা সরকারের মদদে সংঘটিত হচ্ছে। ঐ হত্যাকান্ডে ৫৭জন উচ্চপদস্থ সেনাকর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। যেটি পাকিস্তানি হানদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিসের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল মোত্তালিবের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মে. নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সেনাবাহিনীর তৎকালীন অফিসার, সেনা সদস্য ও বিডিআর পরিবারের সদস্য এবং জেল ফেরত বিডিআর সদস্যবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।