DailySangram-Logo-en-H90
ই-পেপার আজকের পত্রিকা

রাজধানী

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে সেনা মোতায়েন

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে মূল ফটকে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক
army-office-ca
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নিরাপত্তায় সেনা মোতায়েনNone

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে মূল ফটকে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ৫টি জিপে করে সেনাসদস্যরা ১ নম্বর ফটকের সামনে এসে অবস্থান নেন।

এর আগে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের মাসিক ভাতাসহ মোট ৩ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে বিছানা বিছিয়ে শুয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

এর ফলে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের ১ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ এবং বের হওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া কার্যালয়ের সামনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

তারও আগে দুপুরে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়াসহ নানা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁও কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়া ব্যক্তিরা। এদিন দুপুরে মিছিল নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনের সড়কে এসে বসে পড়েন তারা। ওই সময় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তার দাবিতে নানা স্লোগান দেন তারা।

আন্দোলনকারীদের দাবি ক্যাটাগরি পুনর্বিবেচনা ৩টি থেকে ২টি করতে হবে। সেই সঙ্গে তাদের প্রস্তাবিত দাবিগুলো হলো-

ক্যাটাগরি-এ (কর্মে অক্ষম)

যেসব আহত যোদ্ধা স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন (যেমন: পঙ্গুত্ব, চোখ হারানো, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ ভাবে গুরুতর আহত), তাদের জন্য মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা করা। পাশাপাশি এককালীন অনুদান হিসেবে পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এককালীন ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া পরিবারে দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে সরকারি বা আধা-সরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

ক্যাটাগরি-বি (কর্মে সক্ষম)

যেসব আহত যোদ্ধা সুস্থ হয়েছেন, সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন এবং স্থায়ীভাবে কর্মক্ষম থাকবেন, তাদের জন্য মাসিক ভাতা ১৫ হাজার টাকা করা। পাশাপাশি এককালীন অনুদান হিসেবে পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এককালীন ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণ ও সরকারি বা অধা-সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশেষ সুরক্ষা আইন প্ৰণয়ন

আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে

হবে। এই আইনের আওতায় আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো হুমকি, হয়রানি বা হত্যাচেষ্টা হলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

ইমার্জেন্সি হটলাইন চালু

আহত ও শহিদ পরিবারের সুচিকিৎসা, মানসিক কাউন্সেলিং, হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ২৪/৭ ঘণ্টা টোল ফ্রি হটলাইন চালু করতে হবে।